Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মন্ত্রী : সুন্দরবনের উন্নতি হচ্ছে, রামপালের কারণে ক্ষতি হবে না

পরিবেশ সচিব আব্দুল্লাহ আল মহসিন চৌধুরী বলেন, রামপালের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না সেটির প্রমাণ হচ্ছে বনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে।

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৯, ০৭:২১ পিএম

সুন্দরবনের পাশে প্রস্তাবিত রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোড বনের কোনো ক্ষতি হবে না বলে দাবি করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বলেছেন, 'সুন্দরবন আরও উন্নত হচ্ছে।'

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০১৯ এবং বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতির যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেটি অমূলক। একমাস আগেও আমরা সুন্দরবন পরিদর্শন করেছি, তেমন আশঙ্কাজনক কোনো অবস্থা দেখা যায়নি। সুন্দরবন আরও উন্নত হচ্ছে। রামপালের জন্য সুন্দরবনের ক্ষতি হবে বলে আমরা মনে করি না।’

এ বিষয়ে পরিবেশ সচিব আব্দুল্লাহ আল মহসিন চৌধুরী বলেন, রামপালের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না সেটির প্রমাণ হচ্ছে বনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে, গাছের সংখ্যাও বেড়েছে। অনেকে বলছে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু এটির কাজ শুরুই হয়নি। নতুন কাউকে আমরা ছাড়পত্র দেইনি। কোনো নতুন বা রেড ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।

'স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেসমেন্ট' শীর্ষক প্রকল্প প্রণয়ন করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করেছে মন্ত্রণালয়। এটি অনুমোদন পেলে শিগগিরই রামপাল প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

রামপাল বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এটি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার কোম্পানি ও বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের যৌথ প্রকল্প। বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকাটি বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের থেকে ১৪ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

সুন্দরবনের ক্ষতির আশঙ্কায় রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিরোধিতা করে আসছে জাতিসংঘের বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিষ্ঠান-ইউনেসকো ও স্থানীয় পরিবেশবিদরা।

About

Popular Links