Thursday, June 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত

এবছর সারাদেশে পাশের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৮৬জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮২.৬২ শতাংশ এবং মাদ্রাসা বোর্ডে  মোট পাসের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৯, ১০:২৬ এএম

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি। এসময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এবার পরীক্ষা শেষের ৫৫ দিনের মাথায় ফলাফল প্রকাশ করা হলো।

এবছর সারাদেশে পাশের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ৪৭ হাজার ২৮৬জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮২.৬২ শতাংশ এবং মাদ্রাসা বোর্ডে  মোট পাশের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ।

এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১০টি বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলের ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। গতবার ১০টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন। পাশ করেন ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক। জানান, দুপুর ১টা থেকে শিক্ষার্থীরা মোবাইল, ইন্টারনেট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল জানতে পারবে। দুপুর ১টায় নিজ নিজ কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশিত হবে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের www.dhakaeducationboard.gov.bd এবং www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্টশিটের সফট কপি পাঠানো হবে। বোর্ড থেকে ফলের হার্ডকপি সরবরাহ করা হবে না। পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষা
টেলিটক মোবাইল ফোন থেকে এসএসএসের মাধ্যমে আগামী ১৮ থেকে ২৪ জুলাই ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) পাওয়া যাবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দু’টি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে সেসব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দু’টি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কেটে নেওয়া হবে। একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল থেকে এএইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় মে মাসের মাঝামাঝি। এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট ২ হাজার ৫৮০টি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা এবার পরীক্ষা দিয়েছে।

About

Popular Links