Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভাইরাল হওয়া সেই ফেসবুক পোস্টটি রেণুর ভাইয়ের না!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত রেণুর ভাই ফেসবুকে বোনের মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই লেখেন নি

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৯, ০৩:৪২ পিএম

রাজধানীর বাড্ডায় গণপিটুনিতে নিহত তাসলিমা বেগম রেণুর মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয় ‘রেণুর ভাইয়ের’ একটি পোস্ট। তবে পরিবারের লোকজনের দাবি সেই পোস্টটি তিনি দেননি।

ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি জানিয়েছেন রেণুর ভাগ্নে সৈয়দ নাসিরুদ্দিন টিটু। তিনি জানান, পোস্টটি রেণুর ভাই করেননি। পোস্টদাতার সঙ্গে তাদের পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।

“সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কারণে আমার খালাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আমরা তার বিষয়ে ফেসবুকে আর কোনো মিথ্যা কথা দেখতে চাই না। ইতিবাচক হলেও না,” বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন তাসলিমা বেগম রেণু (৪০)। বিবাহবিচ্ছেদের পর দুই সন্তানকে মানুষ করার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন এই নারী।

টিটু আরও জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত রেণুর ভাই ফেসবুকে বোনের মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই লেখেন নি।


আরও পড়ুন- শুনানিতে কাঁদলেন রেণুর আইনজীবীরা


রেণুর মৃত্যুর পর ভাইরাল হওয়া ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়েছিল, “আমার বোন আমার চেয়ে বয়সে দশ বছরের ছোট হবে। রেনু ওর নাম। গতকাল গনপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে ওর। ছোট বেলা হতে কিছুটা নার্ভাস প্রকৃতির, কিন্তু ছিল খুব মেধাবী। স্কুলে কখনও দ্বিতীয় হয়নি। সব সময় ফার্স্ট গার্ল...মৃত্যুর আগের রাতে ওকে খুব উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল।”

রেণুর বোন নাজমুন নাহার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার বোনকে গণপিটুনি থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু পরে আমরা গণমাধ্যমের খবরে দেখলাম হৃদয় আদালতকে জানিয়েছে যে, আমার বোনকে স্কুলের ভেতর ঘণ্টাখানেক ধরে আটকে রাখা হয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “হৃদয় এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী। প্রধান শিক্ষক বলেছেন, উত্তেজিত জনতা তার কাছ থেকে রেণুকে ছিনিয়ে নিয়েছে। কিন্তু হৃদয় বলছে, তারা স্কুলের একটা কক্ষের ভেতর থেকে রেণুকে রাস্তায় বের করে এনেছে।”

ঘটনার মূল ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করতে সঠিক তদন্তের দাবি জানান তিনি।

নাজমুন নাহার জানান, ওইদিন তার বোন মুঠোফোনটি সঙ্গে নিতে ভুলে গিয়েছিলেন।

“নিহত হওয়ার আগে আমার বোন আমাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ তার কাছ থেকে ঠিকানা এবং স্বজনদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে পারতো।”

About

Popular Links