Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গাইবান্ধা সাঁওতালপল্লীতে হামলা মামলায় ৯০জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর আখ কাটাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশের গুলিতে তিন সাঁওতাল মারা যান

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৯, ০২:২৬ পিএম

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালপল্লীতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যা মামলায় ৯০জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

রবিবার (২৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবদুল হাই সরকার জানান, সাঁওতালপল্লীতে হামলার মামলা তদন্ত শেষে ৯০জনকে অভিুযক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছি। ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও সঠিক তদন্ত শেষ করতে প্রায় আড়াই বছর সময় লেগেছে। সঠিক তদন্ত ও মূল আসামিদের আইনের আওতায় আনতেই চার্জশিট দাখিলে কিছুটা সময় বেশি লেগেছে।’

তিনি জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলার পাশপাশি অভিযুক্তদের মধ্যে ২৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া, লুটপাট হওয়া বেশকিছু মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্র জানায়, চার্জশিটে অভিযুক্ত ৯০ আসামির মধ্যে উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— মাহিমাগঞ্জ সুগার মিলের (জিএম-অর্থ) নাজমুল হুদা, সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাকিল আহম্মেদ বুলবুল, ইউপি সদস্য শাহ আলম ও আইয়ুব আলী। ৯০ আসামির মধ্যে ২৫ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালেও তারা সবাই জামিনে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর আখ কাটাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশের গুলিতে তিন সাঁওতাল মারা যান। এসময় তাদের বসত-ঘরগুলো আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন সাঁওতালরা।

About

Popular Links