Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইয়াবার মামলায় ওসিকে বাদ দেওয়া কেন বেআইনি না জানতে চান হাইকোর্ট

গত বছরের ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এএসআই মোহাম্মদ সরওয়ার্দীর বাসা থেকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা ও ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ।

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৯, ০৪:০৬ পিএম

প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার তৎকালীন ওসি কামরুল ইসলামের নাম আসলেও আসামি না করায় মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিআইডি) নাজিম উদ্দিন আজাদকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী ২২ আগস্ট, বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

ওই ইয়াবা মামলার এক আসামির জামিন আবেদনের শুনানিকালে ৩১ জুলাই, বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেন, তিন/চারজন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ মামলার আসামি ওসি কামরুল ইসলামের নাম এসেছে। কিন্তু তাকে আসামি হিসেবে অভিযোগ পত্রে অন্তর্ভুক্ত না করে অব্যাহতি দিয়েছে। এটা কিভাবে সম্ভব?

এরপর হাইকোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তলবের পাশাপাশি ওসিকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এএসআই মোহাম্মদ সরওয়ার্দীর বাসা থেকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা ও ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি পুলিশ সদস্য আসাদুজ্জামান ও মোহাম্মদ সরওয়ার্দীসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

তারা বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের নির্দেশেই তারা টাকা ও ইয়াবা রেখেছে। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসিকে মামলার আসামি থেকে বাদ দিয়েছেন।

About

Popular Links