Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খুলনায় থানা হাজতে গণধর্ষণের ঘটনায় ওসি, এসআই ক্লোজড

 শুক্রবার (২ আগস্ট) খুলনার জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৯, ১২:৪২ পিএম

খুলনা জিআরপি থানা হাজতে গণধর্ষণের ঘটনায় থানার ওসি উছমান গণি পাঠান ও এস আই নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

বুধবার (৭ আগস্ট) তদন্ত কমিটির প্রধান কুষ্টিয়া সার্কেলের এএসপি ফিরোজ আহমেদ এতথ্য জানান।

এর আগে, শুক্রবার (২ আগস্ট) খুলনার জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশে সোমবার দুপুরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। পরীক্ষা শেষে ওই নারীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গণধর্ষণের শিকার তরুণীর দুলাভাই জানান, ২ আগস্ট শুক্রবার তার শ্যালিকা যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। ট্রেন থেকে নামার পর রাত সাড়ে ৭টার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে মোবাইল চুরির অভিযোগে সন্দেহজনকভাবে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে (ভিকটিমের দুলাভাই) ফোন করে ওসি উছমান গণি থানায় ডেকে নিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করেন। তিনি এত টাকা কোথায় পাবেন বললে ওসি তাকেও থানা হাজতে আটকে রাখার হুমকি দেন।

একপর্যায়ে বলেন, টাকা না দিলে তার শ্যালিকাকে ফেনসিডিলসহ আরও কঠিন মামলায় চালান দেওয়া হবে। পরে রাত বেশি হলে তিনি বাড়ি ফিরে যান। এরমধ্যে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গণি পাঠান প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরও চারজন পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন ৩ আগস্ট শনিবার তাকে পাঁচ বোতল ফেনসিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত ফুলতলায় পাঠানো হয়।

সোমবার ওই নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ঘটনা তদন্ত ও সুপারিশসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন সাতদিনের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন: খুলনায় ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ



আরও পড়ুন: থানা হাজতে ধর্ষণ: এখনও স্বপদে বহাল অভিযুক্তরা



About

Popular Links