Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ আটক

‘তার বাসা থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি, ২০১৭ সালের পর নবায়ন না করা একটি শটগান উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া, ৫৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে’

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:০২ পিএম

ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবে ‘ক্যাসিনো’ চালানোর অভিযোগে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর গুলশানে নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

খালেদ মাহমুদের বাসায় অভিযানে অংশ নেওয়া একজন কর্মকর্তা জানান, “তার বাসা থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি, ২০১৭ সালের পর নবায়ন না করা একটি শটগান উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া, ৫৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।”

বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক আরিফ হোসেন জানান, “বিকেল তিনটার দিকে ডিবির সদস্য পরিচয়ে কয়েকজন বাসায় আসেন। চারটার দিকে বাসায় ঢোকে করে র‌্যাব। সাড়ে চারটার দিকে বাড়ির লোকজনকে ডেকে বলা হয়, আপনারা আসুন। বাড়ি তল্লাশি করা হবে। লকার থেকে দুটি অস্ত্রএবং ওয়াল আলমারি থেকে দুই প্যাকেট ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।”


আরো পড়ুন - রাজধানীতে যুবলীগ নেতার ‘ক্যাসিনো’তে র‌্যাবের অভিযান


তিনি আরও জানান, “ভবনটি ৪ বছর আগে কেনেন খালেদ মাহমুদ।”

রাত ৯টার দিকে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে ডিবি অফিসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এরআগে, বিকেল থেকে গুলশান-২-এ বাসাটি ঘিরে রাখে র‌্যাব।

এই প্রসঙ্গে লে. কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, “গুলশান-২-এর ৫৯ নম্বর সড়কে ৪ নম্বর প্লটে একজন অভিযুক্তের বাসা ঘিরে রাখা হয়েছে।”

এদিকে, বাসার দারোয়ান হেমায়েত হোসেন বলেন, “বিকেল সাড়ে ৩টায় বাসায় আসেন খালেদ মাহমুদ। এর পরপরই র‌্যাব বাসায় আসে।”

এর আগে জুয়ার আসর চলছে এমন খবরের ভিত্তিতে রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। অভিযানে নারী-পুরুষসহ ১৪২ জন আটক করা ছাড়াও প্রায় ২০ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করা হয়। শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনিতে বেড়ে ওঠা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ফকিরাপুলের এই ক্লাবের সভাপতি।

উল্লেখ্য, শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ‘মনস্টার’ সম্বোধন করে তাদের পদ থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সভায় যুবলীগের কিছু নেতার কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এরপর থেকেই যুবলীগের এসব নেতার ব্যাপারে খোঁজ খবর শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

About

Popular Links