Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে নতুন বয়স্কভাতা কার্ড!

৫/৬ বছর ধরে নিয়মিত বয়স্কভাতা পেয়ে আসছেন পূর্ণচন্দ্র সরকার, খুশি মোহন ও আরজু মিয়া। একবছর আগে ভাতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জানতে পারেন তাদেরকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৪:৩০ পিএম

টাঙ্গাইলের সখীপুরে তিনজন জীবিত লোককে মৃত ঘোষণা করে তাদের জায়গায় একই গ্রামের অন্য তিনজন লোকের নামে নতুন বয়স্কভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চাকদহ এলাকায় এঘটনা ঘটে। যাদের মৃত দেখানো হয়েছে তারা হলেন চাকদহ গ্রামের পূর্ণচন্দ্র সরকার, খুশি মোহন ও আরজু মিয়া।

এদিকে, ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাশেম মিয়া ওই চাকদহ গ্রামের এক উপজাতির নাম ভাঙিয়ে ভাতা তুলে নিজেই আত্মসাৎ করে আসছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড চাকদহ গ্রামের পূর্ণচন্দ্র সরকার(বহি-নং ৪৯৪১, হিসাব-নং ১৯৬৯), খুশি মোহন(বহি-নং ১৩০৫, হিসাব-নং ১৯৪১) ও আরজু মিয়া(বহি-নং ১৩০৮, হিসাব-নং ১৯৪২) প্রায় ৫/৬ বছর ধরে নিয়মিত বয়স্কভাতা পেয়ে আসছেন। একবছর আগে তাদের বয়স্কভাতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে তারা জানতে পারেন তাদেরকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের স্থলে নতুন করে ওই এলাকার রবি মল্লিক, এরশাদ মল্লিক ও রহমান শিকদারকে বয়স্কভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। কার্ডগুলো কে বা কারা করেছে এনিয়ে ইউপি সদস্য ও ইউপি সচিব একে অপরকে দোষারোপ করছেন বলে জানা গেছে। 

এদিকে, এলাকায় কোনও উপজাতি বা অধিবাসী না থাকলেও ২১জন উপজাতি বা আদিবাসীর নামে ভাতা তুলে নিজেই সেই টাকা আত্মসাৎ করে আসছে বলে ইউপি সদস্য হাশেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও নতুন করে ৪২ জনকে অনগ্রসর ও আদিবাসী হিসেবে তাদের ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বেশকিছু লোকের কাছে ৫ হাজার করে টাকা এবং সরকারি টিউবয়েল দেওয়ার নাম করে প্রায় ১৫জনের কাছ থেকে ৮ হাজার করে টাকা নেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।

এসব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন বলেন, “ঘটনাগুলো টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের পক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করছেন।”

About

Popular Links