Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির নিন্দা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ভিসি বলেন, 'আমার বাসায় পুলিশ দিতে চাইলে আমি বলি, না দরকার নাই, সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার অগাধ বিশ্বাস চিরন্তন'

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:২৭ পিএম

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভিসি এক লিখিত বিবৃতিতে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করারও ঘোষণা দেন।

বিবৃতিতে ভিসি বলেন, "শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ত্যাগের নির্দেশের পর  শিক্ষার্থীদের উপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ কিলোমিটার দূরে রাস্তার ওপর শিক্ষার্থী হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বিগত সাড়ে চার বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনও প্রকার হামলা হয়নি। কোনও ধরনের সহিংসতা না করার জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।"

চিঠিতে তিনি আরও বলেন, "নির্বাহী কর্মকর্তা শনিবার রাতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বললে আমি উনাকে সাধ্যমত নিরাপত্তা বিধান করা হয়েছে বলে জানাই। আমি তাকে বলি, কিন্তু আমাদের এত গার্ড নেই। আপনি পুলিশ প্রহরা দিন। আমার বাসায় পুলিশ দিতে চাইলে আমি বলি, না দরকার নাই। আমার কোনও শত্রু নাই। আর সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার অগাধ বিশ্বাস চিরন্তন।"

লিখিত বিবৃতিতে প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন আরও বলেন, "আমি সবাইকে অনুরোধ করে এসেছি। কেউ কোনও গণ্ডগোল করবেন না, ওরা আমার সন্তান। কেউ নাশকতা করার জন্য শিক্ষার্থীদের ওপর এ হামলা করে থাকতে পারে। আমি শিক্ষার্থীদের প্রতি সমবদেনা জানাই।"

রবিবার শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বিবৃতিতে বলা হয়, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ ফান্ড থেকে বহন করা হবে। এছাড়াও এই ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে এই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

ভিসি বলেন, "৫ কার্য দিবসের মধ্যে তারা রিপোর্ট দিলে আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সংশ্লিষ্ট সকলের মিউচুয়াল রেসপেক্ট (পারস্পারিক সহযোগিতা) ও ধৈর্য কামনা করছি।"

উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও দ্য ডেইলি সানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মুখে বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে  ভিসি পতনের আন্দোলন শুরু করে এবং শনিবার দুপুরে আন্দোলনে যোগ দিতে আসা শিক্ষার্থীদের উপর পাঁচস্থানে হামলার ঘটনা ঘটে।

About

Popular Links