Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে জাবিতে ধর্মঘট

কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে না পারায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ছিল কার্যত অচল

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:১৮ পিএম

দুর্নীতির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে ধর্মঘট উপেক্ষা করে বেশ কয়েকটি বিভাগ-ইনস্টিটিউটে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটায় “দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর” ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন এবং বিভিন্ন একাডেমিক ভবনে প্রবেশের ফটক আটকে অবস্থান নেন আন্দোলনরতরা। ধর্মঘটের মুখে উপাচার্য ফারজানা ইসলাম রবিবারের মতো সোমবারও তার কার্যালয়ে আসেননি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে না পারায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ছিল কার্যত অচল। 

এদিন সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে ধর্মঘটের মুখে পড়েন। বিভাগগুলোতে অধিকাংশ পূর্বনির্ধারিত ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি), গণিত, প্রত্নতত্ত্ব, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় অনুষদের কয়েকটি বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

অন্যদিকে, ধর্মঘটের মুখে নতুন কলা ও মানবিকী অনুষদ ভবনে প্রবেশ করতে না পেরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পাদদেশে একটি অনুশীলনী পরীক্ষা নিয়েছেন ইতিহাস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আরিফা সুলতানা।

প্রতিদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে চলমান আন্দোলনে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ বিঘ্নিত হচ্ছে জানিয়ে আন্দোলনকারীদেরকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত মঞ্চ “অন্যায়ের বিপক্ষে ও উন্নয়নের পক্ষে জাহাঙ্গীরনগর”।


আরো পড়ুন - জাবি ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা: রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার দাবি


আন্দোলনকারী পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু বলেন, “উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। নৈতিক ও যৌক্তিক এই আন্দোলনকে বানচালের অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন অব্যাহত রাখবো। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ স্বার্থবাদী গোষ্ঠী ছাড়া কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীই চাই না তাদের অভিভাবক (উপাচার্য) দুর্নীতিগ্রস্ত হোক। এ জন্যই উপাচার্যের অপসারণ জরুরি।”

About

Popular Links