Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হত্যার পর স্ত্রীর লাশ অ্যাম্বুলেন্সযোগে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর অভিযোগ

মঙ্গলবার রাতে বাসায় লিপিকে পিটিয়ে হত্যা করেন মোশারফ। এরপর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে গাজীপুরের কালীগঞ্জে লিপির বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:৪১ পিএম

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ অ্যাম্বুলেন্সযোগে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে মোশারফ হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার হালিশহরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার বাড়িতে ওই নারীর লাশ এসে পৌঁছে।

নিহতের নাম মারজিয়া আকতার লিপি (৩৪)। তার বাড়ি কালীগঞ্জের জামালপুর ইউনিয়নের চুপাই গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে থাকতেন পাহাড়তলীর হালিশহরে। এ ঘটনার পর থেকে লিপির স্বামী মোশারফ হোসেন সরকার পলাতক রয়েছেন।

নিহত লিপি চুপাই গ্রামের সরকারবাড়ির মৃত আবদুল আজিজের মেয়ে। তার স্বামী মোশারফ হোসেন সরকারও একই এলাকার হাসিমুদ্দিন সরকারের ছেলে। মোশারফ স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে চট্টগ্রামের হালিশহরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখানে ঠিকাদারি করতেন তিনি।

স্বজনরা জানান, লিপির সাথে ২০ বছর আগে বিয়ে হয় মোশারফের। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কহল চলছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাতে বাসায় লিপিকে পিটিয়ে হত্যা করেন মোশারফ। এরপর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে গাজীপুরের কালীগঞ্জে লিপির বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

নিহত লিপির মা রহিমা বেগম জানান, চট্টগ্রামে লিপির প্রতিবেশীরা ফোন করে তাদের জানিয়েছেন লিপিকে হত্যা করে মোশারফ পালিয়ে গেছে। 

রহিমা বেগমের অভিযোগ, বিয়ের এক বছর পর থেকেই যৌতুকের জন্য মোশারফ লিপিকে চাপ দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার লিপিকে মারধরও করেছেন মোশারফ। তিন বছর আগে মোশারফ পিটিয়ে লিপির বাম চোখ নষ্ট করে দেয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুর হক বলেন, “হত্যার ঘটনাটি চট্টগ্রামে ঘটেছে। তাই এ ব্যাপারে সেখানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।”

About

Popular Links