Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

৩৩২ পেঁয়াজ আমদানিকারকের তথ্য নিয়ে মাঠে গোয়েন্দা

গত ৩ মাসে দেশে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮০৬.৪৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও পণ্যটির দাম বেড়েই চলেছে

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ০২:১৮ পিএম

সম্প্রতি দেশে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির কারণ খুঁজতে ৩৩২ পেঁয়াজ আমদানিকারকের বিশদ তথ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন গোয়েন্দারা। খুচরা বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ২৫০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি হওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিরেক্টরেটের (সিআইআইডি) মাঠে নেমেছে। সোমবার থেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ৪৭ আমদানিকারককে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, গত তিন মাসে বেনাপোল, ভোমরা, হিলি, সোনা মসজিদ, টেকনাফ, চট্টগ্রাম ও ঢাকা কাস্টম হাউজ হয়ে দেশে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮০৬.৪৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও পণ্যটির দাম বেড়েই চলেছে।

এ কারণেই সরকার এনবিআরকে কারণ অনুসন্ধান করতে বলেছে জানিয়ে সংস্থাটির এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, সিআইআইডি’র কাছে এখন ৩৩২ জন আমদানিকারকের বিশদ তথ্য রয়েছে। তাদের কাছ থেকে এখন আমদানির তথ্য ও বাজারে সরবরাহের তথ্যগুলো তদন্ত করা হবে।

"কিন্তু পেঁয়াজের মূল্য এখনো ঊর্ধ্বমুখি রয়েছে। যার কারন অনুসন্ধানে গত ২৫ নভেম্বর থেকে আজ ২৬ নভেম্বর দুদিনে ৪৭জন পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে," যোগ করেন এনবিআর সিনিয়র কর্মকর্তা।

তবে, চলতি বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বরে যারা এক হাজার মেট্রিক টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানি করেছে, কেবল তাদের তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে সিআইআইডি কর্মকর্তারা আমদানিকারকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ বিক্রির পরিমাণ, বিক্রি থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের পরিমাণ এবং যাদের কাছে পেঁয়াজগুলো বিক্রি করেছেন তাদের নাম ও ঠিকানা জানতে চাইবেন।

এনবিআরের কাছে তথ্য রয়েছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির লক্ষ্যে আমদানি করা পেঁয়াজগুলো অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পেঁয়াজ আমদানির নামে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে।

সিআইআইডির এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, "কৃত্রিম সংকটের মধ্য দিয়ে যারা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছেন, সেই সব ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। দেশে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ ছিল। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর পেঁয়াজ সংরক্ষণের কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত লাভের জন্য ব্যবসায়ীদের একটি অংশ এ কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।"

"পাশাপাশি কিছু আমদানিকারক একটি বিশেষ সিন্ডিকেট গঠন করেছে, যারা গুদামগুলোতে পেঁয়াজ পঁচে গেলেও বিক্রির পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে খুঁচড়া বাজারে পেঁয়াজের মূল্যা ২৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়," যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুর দিকে রাজধানীর স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের কেজি ১০০-১২০ টাকা ছিল। কিন্তু ১২ নভেম্বরের পর থেকে প্রতি কেজি পেয়াঁজের মূল্য ১৬০ টাকা এবং ১৫ নভেম্বরের পর থেকে তা ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

About

Popular Links