Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তলিয়ে গেল ১৫০ হেক্টর আমন ধান গাছ

পানি না কমলে বা আবার বৃষ্টি হলে এ বছর ধানের আবাদ একবারেই বিফলে যাবে।

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৮, ০৫:৫০ এএম

টানা বর্ষণে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ২০ গ্রামের ১৫০ হেক্টর জমির আমন ধান তলিয়ে গেছে। এতে ফলন নিয়ে কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তারা অভিযোগ করছেন, বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের দু’পাশে খাল ভরাট করে ব্যক্তি মালিকানাধীন স্থাপনা গড়ে তোলায় বৃষ্টির পানি জমিতে প্রবেশ করেছে। কৃষি বিভাগ বলছে, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে এসব ধান গাছ পঁচে নষ্ট হয়ে যাবে।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, গত এক সপ্তাহ ধরে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে উপজেলার নামুইট, কাথম, চাকলমা, বাদলাশন, কৈগাড়ী, দামগাড়া, নিজামদকুড়ি, ঢাকইর, দমদমা, চাতরাগাড়ি, নাগরকান্দি, কালিয়াগাড়ী, রুস্তমপুর, মূলকুড়িসহ বিভিন্ন গ্রামের জমিতে থাকা আমন ধান গাছ ডুবে গেছে।

নামুইট গ্রামের কৃষক গোলাম রব্বানী জানান, তার ১৫ বিঘা জমিতে রোপন করা আমন ধানের চারা পানিতে ডুবে গেছে। পানি না কমলে বা আবার বৃষ্টি হলে এ বছর ধানের আবাদ একবারেই বিফলে যাবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এলাকার খালগুলো সংস্কার করার দাবি জানান তিনি। 

নাগরকান্দি গ্রামের কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, কয়েকদিনের বৃষ্টির পানি ও নগর নদীর পানি মাঠে ঢুকেছে। বৃষ্টির পানিতে তৈরি জমি ডুবে যাওয়ায় তারা আমন চাষ করতে পারছেন না। দ্রুত পানি নেমে না গেলে তারা সঠিক সময়ে চারা লাগাতে পারবেন না। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক জানান, হঠাৎ অতিবৃষ্টির কারণে উপজেলায় প্রায় ১৫০ হেক্টর জমির আমন ধানের গাছ তলিয়ে গেছে। তবে দ্রুত পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে ফসলের কোন ক্ষতি হবেনা। তিনি আরো বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সহায়তায় কিছু এলাকায় পানি নিষ্কাষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

About

Popular Links