Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘তারা আরিফকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়’

আরিফকে কৌশলে ডেকে সুমাইয়া ও তার স্বামী হত্যা করে বুড়িগঙ্গার পানীতে ফেলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আরিফের বড় ভাই রাশিদুল ইসলাম।

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৮, ১২:২২ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মেধাবী ছাত্র আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফের (২১) কে হত্যা করে বুড়িগঙ্গার পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বান্ধবী সুমাইয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত আরিফ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মারুফদাহ গ্রামের মঈন উদ্দীনের ছোট ছেলে। বুধবার সকালে আরিফের মরদেহ জীবননগর উপজেলার মারুফদাহ গ্রামের মাঝপাড়া কবরস্থানে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়। 

নিহত আরিফের বড় ভাই রাশিদুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, আরিফ পড়াশুনার সুবাদে ঢাকা কেরানীগঞ্জের একটি মেসে থাকতো। ২৯ তারিখে আরিফের বান্ধবী সুমাইয়া ফোন করে তার বাসায় দেখা করতে ডাকে এরপর  ৩০ তারিখে আরিফ মেস থেকে বান্ধবী সুমাইয়ার বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর মেসে ফিরে আসেনি। এক পর্যায়ে আরিফের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তার মেসের অন্য বন্ধুরা জানার পর তারা খোঁজাখুজি শুরু করে বুড়িগঙ্গার তীরে আরিফের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন পাওয়ার পর খবর পেয়ে নৌপুলিশ বুড়িগঙ্গায় খোজ করে। বিকেলে নদী হতে আরিফের লাশ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।

তিনি আরও জানান, আরিফ ভালো ছাত্র হওয়ায় তার বান্ধবী সুমাইয়া বিভিন্ন সময় তার থেকে নোট-শিট নেওয়া সহ বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগীতা নিত। কিন্তু সুমাইয়ার স্বামী সেটা ভালো চোখে দেখতো না। আর এরই ফলশ্রুতিতে তার ভাই আরিফকে কৌশলে ডেকে সুমাইয়া ও তার স্বামী হত্যা করে বুড়িগঙ্গার পানীতে ফেলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিহত আরিফুল ইসলামের চাচা হাসাদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান জানান, আরিফুল ইসলাম ছাত্রজীবনে কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো না। সে শান্ত প্রকৃতির ছেলে এবং পড়া-লেখায় খুবই মেধাবী। 

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রওশন আলম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আরিফুল ইসলাম ছোটবেলা থেকে খুব শান্ত প্রকৃতির। তাকে কোনো ঝামেলায় জড়াতে দেখিনি।

About

Popular Links