Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মেয়াদোত্তীর্ণ মশলা মজুদ করায় জরিমানা, গুদাম সিল

আদালত ভোক্তা অধিকার আইনের বিভিন্ন ধারায় গুদাম মালিক জগদীস প্রসাদকে এক লাখ টাকা অর্থদন্ড এবং গুদাম সিল করে দেন।

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৮, ০১:০৫ এএম

বগুড়া শহরের চেলোপাড়ায় গুদামে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ কালো এলাচে পানি দিয়ে ওজন বৃদ্ধি ও মেয়াদোত্তীর্ণ মশলা মজুদ করায় প্রসিদ্ধ মসলা ব্যবসায়ী জগদীস প্রসাদকে এক লাখ টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভোক্তা অধিকার আইনের ২০০৯ ধারায় এ জরিমানা করেন। পরে গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানের খবর প্রকাশ না করতে মালিকপক্ষ ব্যাপক তদবির করেন। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অধিক মুনাফা লাভের আশায় মশলাগুলো মজুদ এবং ওজন বৃদ্ধি করা হচ্ছিল।

বগুড়া পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর শাহ্ আলী জানান, শহরের চেলোপাড়া এলাকার মৃত গোবিন্দ প্রসাদের ছেলে জগদীস প্রসাদ শহরে প্রসিদ্ধ মশলা ব্যবসায়ী। কোরবাণীর ঈদকে সামনে রেখে তার ওই এলাকার গুদামে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ৬ টন বিভিন্ন মশলা মজুদ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপনে খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত ওই গুদামে অভিযান চালান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, অন্তত কোটি টাকা মূল্যের কালো এলাচ পানি দিয়ে ভিজিয়ে তা ফ্যান দিয়ে শুকানো হচ্ছে। এলাচের বাহিরে শুকলেও ভিতরে ভেজা থাকছে। এতে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা মূল্যের এলাচে অন্তত ৩০০ গ্রাম ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া কয়েকবস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ জিরা ও কাজুবাদাম পাওয়া গেছে। পরে আদালত ভোক্তা অধিকার আইনের বিভিন্ন ধারায় গুদাম মালিক জগদীস প্রসাদকে এক লাখ টাকা অর্থদন্ড এবং গুদাম সিল করে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জানান, গুদামে ৬ টন বিভিন্ন ধরনের মশলা রয়েছে। পরে গুদামে রাখা মশলাগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। সেখানে কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর কিছু না পেলে গুদাম খুলে দেয়া হবে।


About

Popular Links