Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রবেশপত্র না পেয়ে অনিশ্চয়তায় ফরিদপুরের ৪৪ এসএসসি শিক্ষার্থী

ফরমপূরণ খরচ বাবদ কোনো প্রকার রশিদ না দিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১ হাজার ৯৫০ টাকা ও অন্যান্য বিভাগের জন্য ১ হাজার ৮৫০ টাকা করে নিলেও সময় মতো ব্যাংকে টাকা জমা দেননি তারা । যে কারণে বোর্ড থেকে তাদের প্রবেশপত্রও আসেনি

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১০:০৫ পিএম

প্রবেশপত্র না পেয়ে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনের হরিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৪ এসএসসি পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এ নিয়ে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ করলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফেল করার হুমকিসহ নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখান তারা।

ওই দুই শিক্ষক হলেন- প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান ও আইসিটি শিক্ষক মো. সোহেল রানা।

পরীক্ষার্থীরা জানায়, ওই দুই শিক্ষক ফরমপূরণ খরচ বাবদ কোনো প্রকার রশিদ না দিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১ হাজার ৯৫০ টাকা ও অন্যান্য বিভাগের জন্য ১ হাজার ৮৫০ টাকা করে নিলেও সময় মতো ব্যাংকে টাকা জমা দেননি। যে কারণে বোর্ড থেকে তাদের প্রবেশপত্রও আসেনি।

তারা আরও জানায়, বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৪ জন, বাণিজ্য বিভাগে ৪ জন ও মানবিক বিভাগে ৩৬ জন মোট ৪৪ জন পরীক্ষার্থী টাকা জমা দিয়েছে। টাকা জমার রশিদ চাইলে পরে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

অভিযোগের ব্যাপরে প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান বলেন, “আইসিটি শিক্ষক সোহেল রানার কাছে বোর্ডের ফি টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি টাকা জমা না দিয়ে ভুয়া রশিদ এনে দেন। যা আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।”

প্রধান শিক্ষক তার গাফিলতির কথা স্বীকার করে জানান, যখন তিনি বোর্ডে গিয়ে জানতে পারেন যে টাকা জমা হয়নি, তখন তিনি টাকা জমা দিয়ে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ পত্র আনার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষক সোহেল রানা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি সময় মতো টাকা জমা দিয়েছি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিদ্যালয়ে আসলে সকল প্রমাণ দেখতে পারবেন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা বলেন, “পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে প্রবেশপত্র আনার ব্যবস্থা করেছি। তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

About

Popular Links