Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তিন বন্ধুকে নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ : গ্রেফতার দু’জন

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নার্স। বিয়ের কথা বলে ডেকে নিয়ে তিন বন্ধুসহ তাকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে তার প্রেমিক।

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৫১ পিএম

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নার্স। বিয়ের কথা বলে ডেকে নিয়ে তিন বন্ধুসহ তাকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে তার প্রেমিক। 

গত ২৭ জুলাই রাতের এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ শনিবার দুপুরে দুপচাঁচিয়া থানায় চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। পরে দ্রুত অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক মামলা ও গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

গ্রেফতার দু’জন দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া গাড়িবেলঘড়িয়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে  জাহিদুল ইসলাম সাজু (২৮) ও খিহালী পশ্চিমপাড়ার আবদুর রহিমের ছেলে নাজিম (২০)। পলাতক দু’জন হলো গাড়িবেলঘড়িয়া গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে বাবু (২০) ও একই গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে সোহান (২১)।

মামলায় করা অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী (১৮) দুপচাঁচিয়া উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নার্সের চাকরি করেন। বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যাতায়াতের পথে সোহান তাকে প্রেম নিবেদন ও এক পর্যায়ে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আগে থেকেই ফাঁদে ফেলেন। 

গত ২৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ আলতাফনগর বাসস্ট্যান্ডে সোহান ও এক তার একসঙ্গীসহ ঐদিনেই বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হয়ে যান। 

এরপর তালোড়া কাজী অফিসের যাবার কথা বলে তাকে বিভিন্ন স্থানে ঘোরানো হয়। সন্ধ্যার পর তাকে দোগাছি মানিকগঞ্জ মাঠে নিয়ে কাজী ডাকার নামে মোবাইল ফোন করে আরও দুইজনকে সেখানে ডাকা হয়।

গণধর্ষণের শিকার তরুণী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে চার আসামী তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। সকালে জ্ঞান ফিরলে তিনি কর্মস্থলে যান এবং গণধর্ষণের বিষয়টি সিনিয়র নার্সদের জানিয়ে চিকিৎসা নেন। 

আসামীরা আপোষের প্রস্তাব ও মামলা না করতে হুমকি দেয়া সত্ত্বেও শনিবার দুপচাঁচিয়া থানায় প্রেমিক সোহান, তার বন্ধু সাজু, নাজিম ও বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী। দুপচাঁচিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম দ্রুত অভিযান চালিয়ে পৃথক স্থান থেকে আসামী সাজু ও নাজিমকে গ্রেফতার করে। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, অন্য দুই আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

About

Popular Links