Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

করোনাভাইরাসের কারণে মাটির নিচে বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনে বিলম্বের আশঙ্কা

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ধানমণ্ডির সাত-মসজিদ রোড, মিরপুর রোড, সিটি কলেজ রোড এবং গ্রীণ হেরাল্ড স্কুল এলাকার ১০৫ কিলোমিটার কোনও বৈদ্যুতিক তার দেখা যাবে না

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:২৮ পিএম

চীনে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব মহামারি আকার ধারণ করায় পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে বিদ্যুত লাইন নেয়ার প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পরার কারণে চীনা ঠিকাদারদের দল উহানে আটকা পড়েছে। তাই ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) নির্ধারিত সময়ে মাটির নিচ দিয়ে বিদ্যুত লাইন নেয়ার পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ শুরু করতে পারেনি।

ডিপিডিসির সূত্র জানায়, এ প্রকল্পটির কাজ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ডিপিডিসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প নির্মাণ কাজের আদেশ পাওয়া চীন সরকার মনোনিত ঠিকাদার তাবিয়ান ইলেক্ট্রিক অ্যাপারেটাস (টিবিইএ) কোম্পানি লিমিটেডের পুরো দলটি উহানে আটকা পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কর্মকর্তা বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভিত্তিভূমি উহানে টিবিইএ কার্যালয় বন্ধ রয়েছে এবং তাদের অফিস কবে খুলবে তা এখন অনিশ্চিত।

তিনি বলেন, চীনা এ কোম্পানির কয়েকজন কর্মকর্তা ঢাকায় আছেন। কোনো ধরনের সমস্যা যাতে না হয় সেজন্য ডিপিডিসির কর্মকর্তারা তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যোগায়োগ রাখছেন।

বিষয়টি স্বীকার করে ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, "করোনাভাইরাস সমস্যার সমাধান হলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খুব শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি।"

গত বছরের সেপ্টেম্বরে, রাজধানীতে বিতরণ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে চীনের অথায়নে ২০ হাজার ৫শ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য টিবিইএর সাথে ডিপিডিসি চুক্তি স্বাক্ষর করে।   

এ প্রকল্পের আওতায়, রাজধানীতে ৪০টি উপকেন্দ্র স্থাপন করবে। এছাড়াও আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে হাতিরঝিল লেক ও ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লাইনগুলো মাটির নিচ দিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। 

ডিপিডিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে ধানমণ্ডির সাত-মসজিদ রোড, মিরপুর রোড, সিটি কলেজ রোড এবং গ্রীণ হেরাল্ড স্কুল এলাকার ১০৫ কিলোমিটার জুড়ে থাকা সকল ধরনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক তার মাটির নিচ দিয়ে নেয়া হবে এবং ওইসব এলাকায় কোনো তার দেখা যাবে না।

তবে, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে কাজ বন্ধ রাখতে হচ্ছে জানিয়ে বিকাশ দেওয়ান বলেন, "এখন মনে হচ্ছে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আগামী বছর করতে হবে। কেননা, সরকার জনগণের দুর্ভোগ যাতে না হয় সে জন্য এ ধরনের কাজ শীতকালে বাস্তবায়ন করতে আগ্রহী।"

About

Popular Links