• শনিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৩ বিকেল

অজানা তথ্য জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত ০৬:০৪ সন্ধ্যা জুন ২৮, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৮ রাত জুন ২৯, ২০১৮
web-pm-hasina-quota-parliament-11042018-focus-bangla-1530187283860.jpg
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফাইল ফটো, ঢাকা ট্রিবিউন

‘প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থাতে বিদেশে অধ্যয়নরত ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারিনি’ এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী হয়েও সন্তানের পড়ার খরচ দিতে পারিনি। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমার দ্বিধা হলো- কাকে বলবো টাকা দিতে বা কীভাবে আমি টাকা পাঠাবো বুঝতে পারিনি। কার কাছে দেনা করবো। আমার কারণে তার পড়া হলো না। দুটো সেমিস্টার করে তাকে বিদায় নিতে হলো। তারপর সে চাকুরিতে ঢুকলো’। 

‘২০০৭ সালে বউ-মা অসুস্থ হলে দেখতে গেলাম। তখন তাকে অনুরোধ করলাম, কারণ আমার ভেতরে এই জিনিসটা খুব কষ্ট লাগতো যে, আমি প্রধানমন্ত্রী হলেও তার পড়ার খরচ দিতে পরিনি। তখন আমি বললাম তুমি হার্ভার্ডে আবেদন করো। আমি অনুরোধ করার পর সত্যি সে আবেদন করলো। চান্স পেয়ে গেলো’। 

‘আমি কথা দিয়েছিলাম, ফার্স্ট সেমিস্টারের টাকা আমি দেবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য, তার আগে গ্রেফতার হয়ে গেলাম। তবে আমি চেয়েছিলাম, চান্স যখন পেয়েছে যেভাবে পারুক পড়াশোনা চলুক। পরে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে সে বাড়ি ভাড়া দিয়েছে, সেই ভাড়ার টাকা দিয়ে, কলেজ থেকে দূরে বাসা নিলো সে (সজীব ওয়াজেদ জয়) যাতে সস্তায় বাসা পায়, গাড়ি রেখে মোটরসাইকেল চালিয়ে সে আসতো। রেহানার মেয়ে অক্সফোর্ডে চান্স পেয়েছে, সে পড়াশুনা করলো স্টুডেন্ট লোন নিয়ে, তারপর পড়াশুনা শেষে চাকরি করে লোন শোধ দিলো’, এমন সব অজানা তথ্য জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

নিজেদের সন্তানের উচ্চ শিক্ষার জন্য কষ্ট করার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করেছে, চাকুরি করেছে। পড়ার মধ্যে গ্যাপ দিয়ে চাকরি করে আবারও লেখাপড়া করেছে। একবার গ্রাজুয়েশন হয়েছে, কিছুদিন চাকরি করেছে, স্টুডেন্ট লোন নিয়েছে, সেটা শোধ দিয়েছে, আবারও ভর্তি হয়েছে, তারপর মাস্টার্স ডিগ্রি করেছে। আবার সেই লোন শোধ দিয়েছে। এইভাবে পড়েছে।’

বুধবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ সালের বাজেট আলোচনার সময় এমন অজানা তথ্য তুলেন ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।