• মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২০ রাত

বন্ধুর কারণেই খুন হয়েছেন মামুন

  • প্রকাশিত ০৫:৪৫ সন্ধ্যা জুলাই ১২, ২০১৮
be70a0121e09d4a2bed0d0a72ddf13d1-5b46e6f854efc-1531395886408.jpg
নিহত পুলিশ কর্মকর্তা মামুন ইমরান খান। ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

বন্ধু রহমত উল্লাহর সঙ্গে বনানীর এক বাসায় আড্ডায় গিয়েছিলেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মামুন ইমরান খান (৩৪)। সেখানে যাওয়ার পর বুঝতে পারেন চক্রের ফাঁদে পড়েছেন তারা।

সম্প্রতি পুলিশ কর্মকর্তা মামুন হত্যা সম্পর্কে নতুন বেশ কিছু তথ্য জানা সম্ভব হয়েছে।

হত্যা মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বন্ধু রহমত উল্লাহর সঙ্গে বনানীর এক বাসায় আড্ডায় গিয়েছিলেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মামুন ইমরান খান (৩৪)। সেখানে যাওয়ার পর বুঝতে পারেন চক্রের ফাঁদে পড়েছেন তারা। চক্রটির লক্ষ্য ছিল রহমত উল্লাহকে ভয় দেখিয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে ‘ব্ল্যাকমেল’ করা। কিন্তু, পুলিশ কর্মকর্তা মামুন সেখানে থাকায় পরিকল্পনায় বিঘ্ন ঘটে। এতে, চক্রের লোকজন দুইজনকেই মারধর শুরু করে এবং এক পর্যায়ে মৃত্যুবরণ করেন পুলিশ কর্মকর্তা মামুন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, মামুন মৃত্যুবরণ করার পর লাশ গুমের কাজে চক্রটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন মামুনের বন্ধু রহমত উল্লাহ। রহমতের গাড়িতে করেই মামুনের লাশ বস্তায় ভরে গাজীপুরের কালীগঞ্জের উলুখোলার একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রহমতসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে বনানী থানায় হত্যা মামলা করেছেন মামুনের ভাই জাহাঙ্গীর আলম খান।      

পেশায় প্রকৌশলী রহমতকে ইতোমধ্যেই গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, গতকাল আদালত রহমতকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।

রহমত বাদে মামলার বাকি নয় আসামী হলেন, শেখ হৃদয় ওরফে আপন, স্বপন, দিদার, মিজান, আতিক, রবিউল, মেহেরুন নেসা স্বর্ণা ওরফে আফরিন, সুরাইয়া আক্তার ওরফে কেয়া এবং ফারিয়া বিনতে মীম ওরফে মাইশা। আসামী তালিকায় থাকা তিন নারী নিজেদের মডেল হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: প্রথম আলো