• বুধবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫ রাত

আসছে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাই-স্পিড ট্রেন, পৌঁছানো যাবে ২ ঘণ্টায়!

  • প্রকাশিত ০৪:৫৪ বিকেল জুলাই ২১, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৭ বিকেল জুলাই ২১, ২০১৮
bigstock-china-bullet-train-edited-1532107289635-1-1532170361305.jpg
চীনের বুলেট ট্রেন

বুলেট ট্রেনের এই প্রকল্প আগামী ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে। ফলে ২০২২ সাল থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রামগামী যাত্রীরা পাচ্ছে বুলেট ট্রেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ট্রেন যাত্রার লম্বা সময়ের ঝক্কি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে যাত্রীরা। কারণ এই পথে হাই-স্পিড ট্রেন সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। 

এই সার্ভিস চাল্য হলে বর্তমানের ৬-৭ ঘণ্টার যাত্রা হয়ে যাবে মাত্র দেড় থেকে সর্বোচ্চ দুই ঘন্টার।

এই ‘বুলেট ট্রেন’ চলবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০ কিলোমিটার গতিতে। বাংলাদেশের বর্তমান আন্ত:নগর ট্রেনগুলোর গতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার। 

বুলেট ট্রেনের কল্যাণে ইউরোপে ইতোমধ্যেই ট্রেন যাত্রা প্লেনের যাত্রার চেয়ে দ্রুত গতির। প্রতিবেশি ভারতেও এখন অনেক চালু হয়েছে বুলেট ট্রেন।

বাংলাদেশেও অবশেষে আসছে বুলেট ট্রেন। বুলেট ট্রেনের এই প্রকল্প আগামী ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে। ফলে ২০২২ সাল থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রামগামী যাত্রীরা পাচ্ছে বুলেট ট্রেন।

চলতি বছরের মে’র ৩১ তারিখ বাংলাদেশ রেলওয়ে চায়না রেলওয়ে ডিজাইন কর্পোরেশন ও মজুমদার এন্টারপ্রাইজের সাথে একটি চুক্তি করে। প্রস্তাবিত হাই-স্পিড ট্রেন লাইনের ডিজাইন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য এই চুক্তি করা হয়। 

এ প্রকল্পের পরিচালক কামরুল আহসান বলেন, “এই চুক্তি অনুযায়ী সম্ভাব্যতা যাচাই ও ডিজাইনের কাজ সম্পন্ন হবে ২০১৯ এর ডিসেম্বরে। এর জন্য খরচ হবে ১০২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকার এই খরচ বহন করছে।”

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই ট্রেন টঙ্গি-ভৈরব থেকে ভায়া হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে নারায়ানগঞ্জ দিয়ে যাবে।

বর্তমান ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেন লাইনের দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার। তবে প্রস্তাবিত বুলেট ট্রেনের দৈর্ঘ্য হবে ২৩০ কিলোমিটার। 

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (পরিকাঠামো) বলেন, “নতুন এই রুট ও ট্রেন চালু হলে তা রেলওয়ের আয় বাড়াতেও বেশ সহযোগিতা করবে”।

উলেখ্য, বাংলাদেশ রেলওয়ে বহুবছর ধরে মুনাফা অর্জনের দিক থেকে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।  গত অর্থবছরে ১ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা লোকসান দেয় প্রতিষ্ঠানটি।