• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১৯ রাত

চার্জশিটে নাম নেই হাসনাত করিমের

  • প্রকাশিত ০৭:৫৮ রাত জুলাই ২৩, ২০১৮
hasnat-dt-1532354069365.jpg
মামলার চার্জশিটে নাম নেই হাসনাত করিমের।ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

একজন কোরিয়ান নাগরিকের গোপনে ধারণ করা ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর হাসনাত করিমের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে  তার যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ ওঠে।

হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশিটে নাম নেই হাসনাত করিমের।

মামলার আসামিদের মধ্যে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে সোমবার (২৩ জুলাই) আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ২১ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি। এরমধ্যে ১৩ জন বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়েছেন। নিহতদের ভূমিকা উল্লেখ করে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি আটজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে দুজন এখনও পলাতক রয়েছে।

একজন কোরিয়ান নাগরিকের গোপনে ধারণ করা ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর হাসনাত করিমের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকা অবস্থায় ঢাকার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষকের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ ওঠে।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ওই বছরের ৩ আগস্ট হাসনাত করিমকে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। ৪ আগস্ট প্রথম দফায় তার আটদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরবর্তীতে ১৩ আগস্ট গুলশান হামলার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

২৪ আগস্ট গুলশান হামলা মামলায় গ্রেফতার হাসনাত করিমের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। হাসনাত করিম বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য,২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পরদিন সকালে উদ্ধারকৃত জিম্মিদের মধ্যে রহস্যজনক আচরণের কারণে হাসনাত করিমকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার কয়েকদিন পর হাসনাতকে ছেড়ে দেওয়ার কথা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হলেও তাকে আর ছাড়া হয়নি।