• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫১ সন্ধ্যা

৪০ হাজার টাকার স্বর্ণ ৩ হাজার!

  • প্রকাশিত ০৩:৩৯ বিকেল জুলাই ২৪, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪১ বিকেল জুলাই ২৪, ২০১৮
gold Bar
স্বর্ণ পাচারের অভিযোগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দেশটির দুই সেনা এবং তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ছবি: সংগৃহীত

দেশে স্বর্ণের চাহিদা নেই। গত ১০ বছর ধরে স্বর্ণের নিলাম হয়নি।

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে স্বর্ণের নিলাম বন্ধ রয়েছে। স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিলামে অনাগ্রহ। নিলাম ডাকা হলে ৪০ হাজার টাকা দামের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম হাঁকেন তিন হাজার টাকারও কম। এমন তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান। 

প্রসঙ্গত ২০০৮ সালের নিলামের সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছিলেন, ‘দেশে স্বর্ণের চাহিদা নেই।’ 

তবে ভিন্ন মত জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি গঙ্গাচরণ মালাকার ‘বাংলাদেশ ব্যাংক এখন আমাদের কাছে আন্তর্জাতিক বাজার দরে স্বর্ণ বিক্রি করুক, আমরা স্বর্ণ নিয়ে নেবো।’ 

অতীতের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘তখনকার পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, এখন আমরা কম দাম দেবো না। আন্তর্জাতিক বাজারে যে দাম আছে, তা-ই দেবো।’

তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছি স্বর্ণ নিলাম না হওয়ার পিছনে রয়েছে ভিন্ন কারণ। প্রথমত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে জমা রাখা বেশিরভাগ স্বর্ণের বিষয়ে মামলা এখনও বিচারাধীন। দ্বিতীয়ত, নিলাম ডাকা হলে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা দাম হাঁকেন খুবই কম।  

তবে উল্লেখিত, যেসব স্বর্ণের বিপরীতে করা মামলার নিষ্পত্তি হয় এবং ভল্টে রাখা স্বর্ণ যদি আদালতের মাধ্যমে সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়, সেসব স্বর্ণের শুধু নিলাম করা হয়। তবে যেসব স্বর্ণ বার বা ‘বিস্কুট’ আকারে আছে, সেগুলোকে বিশুদ্ধ স্বর্ণ মনে করা হয়। এগুলো  বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে রিজার্ভে দেখানোর জন্য ভল্টে রেখে দেয়।  

সর্বশেষ নিলামটি হয়েছে ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই। সে সময় ২১ কেজি ৮২২ গ্রাম সোনা বিক্রি করা হয়েছিল। একই বছরে আরও তিন ধাপে ২৫, ২৫ ও ২০ কেজি সোনা নিলামে বিক্রি করা হয়।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন