• বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:০৭ দুপুর

জাতিসংঘ কর্মকর্তাকে হত্যার সন্দেহে আটক ২

  • প্রকাশিত ১০:৩৫ সকাল আগস্ট ৩, ২০১৮
unhcr
নিহত ইউএনএইচসিআর কর্মকর্তা সুলেমান মুলাটা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

খন্দকার ফরিদ বলেন, গত সোমবার সকাল থেকে ইউএনএইচসিআর এর কক্সবাজার কার্যালয়ের শরণার্থী সুরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা সুলেমান মুলাটা নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ইউএনএইচসিআর এর এক কর্মকর্তা থানায় জিডি করেন।

কক্সবাজারে জাতিসংঘ কর্মকর্তা সুলেমান মুলাটার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একই অফিসের কর্মকর্তা জাফরীন আফসারী ও তার স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকাল ৫ টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার অভিজাত হোটেল ওশ্যান প্যারাডাইজ থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানান কক্সবাজার সদর থানার ওসি খন্দকার ফরিদ চৌধুরী।

আটককৃত জাফরীন আফসারী ইউএনএইচসিআর কক্সবাজার কার্যালয়ের কর্মকর্তা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক জাফরীন আফসারীর স্বামীর নাম ও পরিচয় জানাতে সক্ষম হননি বলে জানান ওসি।

খন্দকার ফরিদ বলেন, গত সোমবার সকাল থেকে ইউএনএইচসিআর এর কক্সবাজার কার্যালয়ের শরণার্থী সুরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা সুলেমান মুলাটা নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ইউএনএইচসিআর এর এক কর্মকর্তা থানায় জিডি করেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেল পয়েন্টে জেলেদের জালে আটকা পড়া অবস্থায় সুলেমান মুলাটার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। 

মৃতদেহের সঙ্গে পাওয়া কিছু ডুকুমেন্ট দেখে সুলেমান মুলাটার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মৃতদেহটি ২/৩ দিন আগের হওয়ায় মুখমন্ডলসহ পুরো শরীর ফুলেফেঁপে বিকৃত হয়েছে বলে জানান ওসি।

ফরিদ বলেন, আটক জাফরীন আফসারীর সঙ্গে ইউএনএইচসিআর কক্সবাজার কার্যালয়ে কর্মরত 'শরণার্থী সুরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা' সুলেমানের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে। তাছাড়া সুলেমান মুলাটা অতিরিক্ত মদ্যপায়ীও ছিলেন।

তিনি বলেন, " পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, দু'জনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে এ হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউএনএইচসিআরে কর্মরত কর্মকর্তা জাফরীন আফসারী ও তার স্বামীকে আটক করেছে। ঘটনার প্রথমদিকে পুলিশ ধারণা করেছিল,  হয়তো সাগরে গোসলে নেমে সুলেমান মুলাটা নিখোঁজ হয়েছিলেন।"

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর ঘটনা রহস্য সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে বলে জানান ওসি ফরিদ।