• বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:০৭ দুপুর

ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও পুলিশ হামলা করেছে; দাবি শিক্ষার্থীদের

  • প্রকাশিত ০৫:০৪ সন্ধ্যা আগস্ট ৩, ২০১৮
Mirpur 14
বিকেলে মিরপুর ১৪ এলাকা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ শুরু হয় মিরপুরের ১০, ১৩ এবং ১৪ এলাকার সড়কে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এই সময় আন্দোলনরত অন্তত পাঁচ জন শিক্ষার্থী পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন।

রাজধানী মিরপুরের ১০, ১৩ এবং ১৪ এলাকার সড়কগুলোতে বিকেলে পুলিশের পাশাপাশি অবস্থান নিয়েছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী যুবলীগ। সে সময় ক্ষমতাসীন দলের কর্মী ও পুলিশ সেখানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সড়িয়ে দিয়েছে এবং মারধোর করেছে বলেই দাবি করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ শুরু হয় মিরপুরের ১০, ১৩ এবং ১৪ এলাকাটিতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এই সময় আন্দোলনরত অন্তত পাঁচ জন শিক্ষার্থী পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসময় টিয়ারগ্যাস এবং ফাঁকা গুলি ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাইট ফেসবুকে এই সময়ের বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ছবি ও ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, অজ্ঞাত বেশ কিছু সংখ্যক যুবক লোহার রড এবং লাঠি নিযে ঘোরাফেরা করছে এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করছেন। পুলিশদেরও ভিডিওতে স্বশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। 


একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ ফুট ওভার ব্রিজের সিঁড়িতে শিক্ষার্থীদেরকে পেটাচ্ছেন। এরকম আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ ঘেরাও করা অবস্থায় একজন ফটোসাংবাদিকের ক্যামেরা ভেঙে দিচ্ছে এক যুবক। ফটোসাংবাদিক সে সময় শিক্ষার্থীদের যে মারধোর করা হচ্ছে, সে ছবি তুলছিলেন। কয়েক মুহূর্ত পরেই কয়েকজন যুবককে এক সাংবাদিককে পেটাতেও দেখা গেছে।


কিন্তু, ভিডিও অস্পষ্ট থাকায় ঢাকা ট্রিবিউন কোনও পক্ষেরই পরিচয় সনাক্ত করতে পারেনি। পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে ঢাকা মহানগরী পুলিশের মিরপুর শাখার ডেপুটি কমিশনার, অতিরিক্ত ডিসি এবং সহকারী কমিশনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও, কোনও মন্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। কাফরুল পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারও (ওসি) মন্তব্যও সংগ্রহ করা যায়নি। 

ঢাকা মহানগরী পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বুধবার পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর যাতে কোনও ধরনের আঘাত হানা না হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে যাতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করতে পারেন।