• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪ রাত

ইভিএম ব্যবহারে আরপিও সংশোধনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

  • প্রকাশিত ০৭:১২ রাত আগস্ট ৩০, ২০১৮
EVM
ইভিএম কেনার প্রকল্পে অনুমোদন। ছবি: মেহেদী হাসান / ঢাকা ট্রিবিউন

আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।

জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহা‌রের বিধান রে‌খে আরপিও সংশোধ‌নের অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

নির্বাচন কমিশনে বৃহস্পতিবার সকালে এক সভা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা ব‌লেন, “আমরা (নির্বাচন কমিশন)আরপিও সং‌শোধনে একমত হ‌য়ে‌ছি, সং‌শোধিত আর‌পিও নিরীক্ষার জন্য আইন মন্ত্রনাল‌য়ে পাঠা‌নো হ‌বে।” 

সাংবাদিকদের সভার সিদ্ধান্ত জানানোর সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা বলেন, আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এখনও নেননি তারা।

“সংসদে (একাদশ সংসদ নির্বাচনে) ইভিএম ব্যবহার হবে- এমন সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আমাদের প্রস্তুতি থাকবে।” 

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ৫ সদস্যের কমিশনের একজন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।” 

মাহবুব তালুকদারের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থাকলেও, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতের ভিত্তিতে সংস্কারের পক্ষে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা বলেন “উনি (মাহবুব তালুকদার) ভিন্ন পোষণ করেছেন। আমরা চারজন সম্মত হয়েছি।”

তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এখনও নেননি তারা। “সংসদে (একাদশ সংসদ নির্বাচনে) ইভিএম ব্যবহার হবে- এমন সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আমাদের প্রস্তুতি থাকবে।”

চালুর পর এতদিন ইভিএম সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়নি। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ বরাবরই ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে, অন্যদিকে বরাবরই এর বিরোধিতা করে আসছে বিএনপি।

রাজনৈতিক দলগুলোর মতৈক্য না হলে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না বলে এতদিন জানালেও হঠাৎ করেই ইভিএম ব্যবহারের সুযোগ রেখে আরপিও সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নিজেদের এই অবস্থানে পক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছি। সংসদের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত সংস্কার হলে সংসদে ব্যবহারের ক্ষেত্র তৈরি হবে। কমিশন কোনও সময়ে সিদ্ধান্ত নিলে প্রস্তুতি নেওয়া যাবে।”