• মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৪ রাত

রেস্তোরাঁ সহ ১৩ প্রতিষ্ঠানে ইএফডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক

  • প্রকাশিত ১১:৪৩ সকাল সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
১৩ ধরণের প্রতিষ্ঠানে ইএফডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

২৯ আগস্ট সরকার থেকে প্রকাশিত  একটি গেজেটে বলা হয়েছে যে, আগামী ১ নভেম্বর সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকা এবং ১ ডিসেম্বর থেকে সকল জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘ইএফডি’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। 

রেস্তোরাঁ সহ ১৩ টি প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘ইলেক্ট্রনিক ফিস্ক্যাল মেশিন’ বা ‘ইএফডি’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। মূল্য সংযোজন কর ফাঁকি প্রতিরোধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

২৯ আগস্ট সরকার থেকে প্রকাশিত  একটি গেজেটে বলা হয়েছে যে, আগামী ১ নভেম্বর সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকা এবং ১ ডিসেম্বর থেকে সকল জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘ইএফডি’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। 

উল্লেখ্য, এসব প্রতিষ্ঠানে এরআগে ‘ইসিআর’ ব্যবহার করা হলেও তা বাদ্ধতামূলক ছিলনা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর বরাত থেকে জানা যায় যে, ইএফডি উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন এবং ইসিআর’ র উন্নত সংস্করণ। রাজস্ব বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ‘রাজধানীসহ দেশের সব জেলা শহরে আধুনিক প্রযুক্তির এই ইএফডি মেশিন ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহার না করলে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে’। 

ইএফডি’র  ব্যবহার যে সব প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুড শপ, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, আসবাবপত্র বিক্রয় কেন্দ্র, পোশাক বিক্রির কেন্দ্র/বুটিক শপ, বিউটি পার্লার, ইলেকট্রনিক/ইলেকট্রিক্যাল গৃহস্থালি সামগ্রীর বিক্রয় কেন্দ্র, কমিউনিটি সেন্টার, অভিজাত শপিং সেন্টারের অন্তর্ভুক্ত সব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, জেনারেল স্টোর/ সুপারশপ, বড় ও মাঝারি ব্যবসায়ী (পাইকারি ও খুচরা) প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণকার ও রৌপ্যকার এবং স্বর্ণ-রৌপ্যের দোকানদার। 

এর আগে, ২০০৮ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ‘ইলেক্ট্রনিক ক্যাশ রেজিস্টার’ বা ‘ইসিআর’ ব্যবহার বাদ্ধতামূলক করা হলেও ব্যবসায়ীদের বিরোধের মুখে তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। 

রাজস্ব বোর্ড থেকে বলা হয়েছে উচ্চপ্রযুক্তির এই মেশিন ব্যভারের ফলে পণ্য ক্রয়বিক্রয়ে স্বচ্ছতা আসবে। বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ইএফডি মেশিন সরাসরি ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। অর্থাৎ চাইলেই ব্যবসায়ীরা বিক্রয়ের তথ্য গোপন করতে পারবেন না। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনকার বেচাবিক্রির রেকর্ড সরাসরি এনবিআরের সার্ভারে চলে যাবে। আর নতুন মেশিন টেম্পারিংও করা যাবে না। মেশিন টেম্পারিং করলে তার তথ্যও ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন ভ্যাট কর্মকর্তারা’। 

এদিকে, বছরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও খাত থেকে চার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবার কথা থাকলেও বর্তমানে সংশ্লিষ্ট এসব খাত থেকে মাত্র বিশ থেক পঁচিশ কোটি টাকা আদায় হচ্ছে।