• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০ সকাল

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নির্ভর করছে সংসদ ও মন্ত্রীসভার উপর

  • প্রকাশিত ০২:৪৬ দুপুর সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮
ইভিএম-সিইসি
নির্বাচন কমিশনার ইভিএম ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধনকালে নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার নিয়ে মন্তব্য করেন। ছবিঃ সংগ্রহ।

আইন মন্ত্রনালয় কিমবা ক্যাবিনেটের সভায় যদি ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়ে থাকেতবে নির্বাচনে অবশ্যই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা বলছেন নির্বাচন কর্মীদের প্রশিক্ষণদক্ষতা এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। 

সোমবার রাজধানীর আগারগাওয়ে ইভিএম ব্যবহার বিষয়ক দুই দিনব্যাপী এক কর্মশালা উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘যদি আইন মন্ত্রনালয় কিমবা ক্যাবিনেটের সভায় যদি ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়ে থাকেতবে নির্বাচনে অবশ্যই ইভিএম ব্যবহার করা হবে। যদি ২৫ টি আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাহলে এই ২৫ টি আসন দৈব চয়ন পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে। 

এদিকে, মাত্র চার মাসের মধ্যে ইভিএম স্থাপন করতে অতিরিক্ত অর্থব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এপ্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অতিরিক্ত অর্থব্যয়ের ব্যপারটি অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব তহবিল থেকে কোন অর্থ ব্যয় করা হবেনা। 

ইতোমধ্যেডিসেম্বর এর শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এসময় সংসদের ৩০০ আসনের এক-তৃতীয়াংশে ইভিএম ব্যবহারের কথা বলা হয়।  বিভিন্ন মহল থেকে সাথে সাথেই এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয়। 

উল্লেখ্য২০১০ সালে সর্বপ্রথম ইভিএম প্রচলন হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে।