• শুক্রবার, আগস্ট ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৩ বিকেল

৮ মাসে ৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে নওগাঁর বিআরটিএ

  • প্রকাশিত ০৬:৫৭ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮
নওগাঁ
মানচিত্রে নওগাঁ। ছবি-সংগৃহীত

নওগাঁ জেলায় সম্প্রতি বিভিন্ন যানবাহনের লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, রোড পারমিট নবায়ন, ট্রেড সার্টিফিকেট নবায়ন, লার্নার লাইসেন্স ইস্যু ইত্যাদি কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্পাদিত হচ্ছে।

যানবাহন চালক ও মালিকদের যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র এবং বৈধ লাইসেন্স করার প্রবণতা বেড়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিদিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত যানবাহনের চালক ও মালিকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে এসব কাগজপত্র সংগ্রহ করতে দেখা যাচ্ছে।

বিআরটিএ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) চলতি বছর এ পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে মোট ৭ কোটি ৮০ লাখ ৯৫ হাজার ১শ ৩৮ টাকা রেভিনিউ আদায় করেছে। 

গত ১ জানুয়ারী’১৮ থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত এই ৮ মাসে উল্লেখিত পরিমান অর্থ আয় হয়েছে সরকারের। বিভিন্ন খাতে সম্পাদিক কার্যক্রম এবং প্রাপ্ত আয়ের পরিমাণ হচ্ছে ৪ হাজার ৪শ ৭৭টি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন বাবদ আয় ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৯ হাজার ২শ ৩৬ টাকা, ডুপলিকেট রেজিষ্ট্রেশন বাবাদ আয় ১৫ হাজার ১শ ৮০ টাকা, এনডরসমেন্টট করে দিয়ে ৮৬৩ টাকা, মালিকানা পরিবর্তন বাবাদ ১ লাখ ৯২ হাজার ৭৮৬ টাকা, যানবাহনের মোডিফিকেশন বাবদ ২ হাজার ২শ ৪৪ টাকা, এনডরসমেন্ট অব হায়ার পার্সেস বাবাদ ১ হাজার ৭শ ২৫ টাকা, যানবাহনের ফিটনেসস ইস্যু বাবদ ১৬ হাজার ৩শ ৫ রটাকা,  ফিটনেস নবায়ন বাবদ ১০ লাখ ৭৪৫ হাজার ৪শ ৪৭ টাকা, যানবাহনের ফিটনেস-এর নকল সনদপত্র বাবাদ ৯ হাজার ৬৭ টাকা, বিভিন্ন যানবাহনের রুট পারমিট প্রদান করে ১ লাখ ১০ হাজার ১শ ৩০ টাকা, ট্যাক্স টোকেন ইস্যু করে ১ কোটি ১‘২ লাখ ৫ হাজার ৫শ ৯৭ টাকা, লারনার লাইসেন্স ইস্যু করে ২০ লাখ ৭৬ হাজার ৩শ ২২ টাকা এবং বিবিধ কার্যক্রমের দ্বারা ২ কোটি ৭৭ লাখ ৯৯ হাজার ৬শ ৯১ টাকা। এ ছাড়াও এই সময়ে চালকদের লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে মোট আয় হয়েছে ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮শ ৪৫ টাকা। 

নওগাঁর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে সরকারের  বিভিন্ন গণসচেতনতামুলক এবং প্রচারধর্মী কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে একটি চেতনার সৃষ্টি হয়েছে। ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা দূরীভুত হচ্ছে। এই কারণে বিশেষ করে যানবাহনের মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে বৈধতা ফিরে এসেছে। কাজেই যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র তৈরী করতে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।