• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১৯ রাত

জালে আটকা ‘দৈত্যাকার’ শুশুক, দেখতে মানুষের ভিড়

  • প্রকাশিত ০৮:০৬ রাত সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮
ডলফিন
ধরলা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়া বিশাল আকৃতির ডলফিন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

জেলে সর্দার হাড্ডু মিয়া (৪৫) বলেন, ‘এর তেল বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।' 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীতে জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি শুশুক (ডলফিন) ধরা পড়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর এক কিলোমিটার পশ্চিমে ডলফিনটি ধরা পড়ে। 

ধরা পড়া ডলফিনটির ওজন প্রায় আড়াই মণ (১০০ কেজি)  বলে জানা গেছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধরলা সেতুর এক কিলোমিটার পশ্চিমে নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন সদর উপজেলার কাঠালবাড়ী ছিনাই এলাকার হাড্ডু মিয়াসহ একদল জেলে। জাল টেনে কিনারায় নিয়ে আসার এক পর্যায়ে ডলফিনটি লাফালাফি শুরু করে। পরে ডলফিনটি নৌকায় তোলা হয়।

এদিকে ডলফিন ধরা পড়ার খবর ধরলা তীরবর্তী এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তা দেখার জন্য নদীর পাড়ে শতশত উৎসুক  মানুষ ভিড় করে।

জেলে সর্দার হাড্ডু মিয়া (৪৫) বলেন, ‘শুশুকটি (ডলফিন) আমরা বিক্রি করবো। এর তেল বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শুশুকের তেল প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে।’

এর আগে চলতি বছরের ২১ জুন ধরলা নদীতে নির্মল বিশ্বাস নামের এক জেলের জালে দুটি ডলফিন ধরা পড়ে।

বিলুপ্তপ্রায় এ জলজ প্রাণি সংরক্ষণের বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলবাড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুন্নবী মিঠু বলেন, ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী যে সকল মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে, সেখানে ডলফিন বা শুশুক সংরক্ষণের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনার উল্লেখ নেই। তাই জেলেদের জালে ডলফিন ধরা পড়লেও তা উদ্ধারে আমরা উদ্যোগ নিতে পারি না।’