• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৩ বিকেল

বিমান ড্রিমলাইনার 'আকাশবীণা' উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত ০১:৫৬ দুপুর সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্রিমলাইনার আকাশবীণার ককপিটে প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা

আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন এয়ারক্র্যাফট বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন এয়ারক্র্যাফট বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

আজ বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে একটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘আকাশবীণা’র উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি। প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট নিয়ে আজই মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বে ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চাই। আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে যে উন্নয়ন করা যায়, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’ ড্রিমলাইনারের ফ্লাইট পরিচালনায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখতে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য যে, গত ১৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় আনা হয়েছিলো বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি।

ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’ যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমান বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫টিতে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দে এর নামকরণ করা হয় আকাশবীণা। এই ড্রিমলাইনার দিয়ে প্রাথমিকভাবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

আকাশবীণায় আসন সংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি এবং ২৪৭টি ইকোনমিক ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। দু’পাশের প্রত্যেক আসনের পাশে রয়েছে বড় আকারের জানালা। একইসঙ্গে জানালার বোতাম টিপে আলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। জানালা ছাড়াও কেবিনেও রয়েছে মুড লাইট সিস্টেম।

টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রিমলাইনার চালাতে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি লাগে। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম। বিমানটির ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হবে ইলেকট্রিক ফ্লাইট সিস্টেমে। কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এই বিমান ওজনে হালকা। ভূমি থেকে বিমানটির উচ্চতা ৫৬ ফুট। দু’টি পাখার আয়তন ১৯৭ ফুট। এর ককপিট থেকে টেল (লেজ) পর্যস্ত ২৩ লাখ যন্ত্রাংশ রয়েছে। প্রতিটি আসনের সামনে প্যানাসনিকের এলইডি এস-মনিটর রয়েছে। যাত্রা পথে সরাসরি ৯টি টিভি চ্যানেল দেখা যাবে। একই সঙ্গে ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমে (আইএফই) থাকবে ১শ’টির বেশি ক্লাসিক থেকে ব্লকব্লাস্টার চলচ্চিত্র। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারে যাত্রীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য রয়েছে ওয়াইফাই সুবিধা। এছাড়া আকাশে উড্ডয়নের সময় ফোন কল করতে পারবেন যাত্রীরা।