• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩১ রাত

নাটোরে সেই বাসচালকের রিমান্ড, হেলপারের জামিন

  • প্রকাশিত ০৭:৪৪ রাত সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮
নাটোরের লালপুরে সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাসের চালককে রিমান্ড ও হেলপারকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
নাটোরের লালপুরে সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাসের চালককে রিমান্ড ও হেলপারকে জামিন দিয়েছেন আদালত। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

গত ২৫ আগস্ট নাটোরের লালপুরের কদমচিলান এলাকায় চ্যালেঞ্জার বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংর্ঘষে ১৫ জন নিহতে হয়।

নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাস-লেগুনার সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনার জড়িত বাসের চালকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এদিকে ওই বাসের হেলপারকে জামিন দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার দুপুরের পর নাটোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (লালপুর)আদালতের বিচারক সুলতান মাহমুদ এই আদেশ দেন।

লালপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ইনসপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম ও নাটোর জজকোর্টের পবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

এসআই তরিকুল ইসলাম জানান, লালপুরের কদিমচিলান এলাকায় গত ২৫ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ নিহতের ঘটনায় আটক চ্যালেঞ্জার বাসের চালক শামীম হোসেন ও হেলপার আবদুস সামাদকে গত বৃহস্পতিবার আদালতের হাজির করেন তিনি। এসময় দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানির দিন ধার্য করেন ৫ সেপ্টেম্বর।

আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত বাসের হেলপার সামাদকে জামিন দেন। অপরদিকে চালক শামীমের বিরুদ্ধে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে এসআই তরিকুল এবং নাটোর কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম দাবী করেন, মামলার এজাহারে চ্যালেঞ্জার বাসটির চালকের নাম উল্লেখ থাকলেও অজ্ঞাতনামা হেলপার শব্দটি ছিল। তার জের ধরেই হেলপারকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

তবে তদন্তের পর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় হেলপারের নাম সংযুক্ত করা হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে এসআই তরিকুল জানান,  দুর্ঘটনার সময় হেলপার সামাদ পায়ে আঘাত পান। সেখানে বেশ কয়েকটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার আসামিদের আদালতে হাজিরের আগে তিনি নিজেও নাটোর হাসপাতালে সামাদের পায়ের চিকিৎসা করিয়েছেন। পায়ে জখমের ব্যাথা তীব্র হওয়ায় তিনি বাসটির চালক ও অপর একজনের কাঁধে ভর দিয়ে আদালত ত্যাগ করে।

গত ২৫ আগস্ট নাটোরের লালপুরের কদমচিলান এলাকায় চ্যালেঞ্জার বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংর্ঘষে ১৫ জন নিহতে হয়। এসময় আহত হয় আরো ২০ থেকে ২৫ জন। ঘটনার পর লালপুর থানার এসআই সাইদুজ্জামান বাদি হয়ে বাসটির চালক-হেলপারসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বগুড়া পুলিশের তদন্ত বিভাগের (ডিবি) সদস্যরা হেলপার আব্দুস সামাদ ও চালক শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।