• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩১ দুপুর

'শকুন বিলুপ্তি ফলে সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে পড়ছে বাংলাদেশ'

  • প্রকাশিত ১০:১৪ রাত সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮
আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস পালন উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও র্যা লির আয়োজন করা হয়। ছবি
আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস পালন উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও র‍্যালির আয়োজন করা হয়। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

আইইউসিএন, বন অধিদপ্তর এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিন এ সভার আয়োজন করে।

বাংলাদেশে সাত প্রজাতির শকুন আছে। সেগুলোর মধ্যে রাজ শকুন এরই মধ্যে বিলুপ্ত হয়েছে। এখন বাংলা শকুনও মহাবিপন্ন। শকুন কমে যাওয়ায় এখন বাংলাদেশেও জনস্বাস্থ্য প্রভাবিত হচ্ছে। শকুনের জন্য বিষাক্ত ওষুধ ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন পশু-চিকিৎসায় ব্যবহার করাই শকুন মৃত্যুর প্রধান কারণ। শকুন বিলুপ্তির ফলে বাংলাদেশ এনথ্রাক্স, জলাতঙ্ক, পশু হতে সংক্রামক রোগের ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

আজ রোববার সকাল ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

আইইউসিএন, বন অধিদপ্তর এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিন এ সভার আয়োজন করে।

সভায় আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনা বিষয়ে শকুন সংরক্ষণ, প্রজনন, শকুনের বিলুপ্তি রোধে সমাজে শকুন সচেতনার প্রয়োজনীতা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেখানে বাংলাদেশে এখন বাংলা শকুনের সংখ্যা ২৫০টি বলেও তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আজকের সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সালমা বেগম। প্রধান অতিথি ছিলেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর এ কে ফজলুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মমিনুল আহসান ও আইইউসিএন এর কান্ট্রি অফিসার এবিএম সারোয়ার আলম।

এর আগে আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।