• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৫ সকাল

বিসমিল্লাহ গ্রুপের ৯ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত ০৭:১৪ রাত সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ৩০ কোটি ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৩৭৩ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

অর্থ পাচার মামলায় বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান নওরীন হাবিবসহ আরও সাতজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ৩০ কোটি ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৩৭৩ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক আতাবুল্লাহ এ আদেশ দেন। 

সাজা পাওয়া অন্য সাত আসামি হলেন-বিসমিল্লাহ গ্রুপের পরিচালক ও খাজা সোলেমানের বাবা সফিকুল আনোয়ার চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর আজিজ মুতাক্কি, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী, ব্যবস্থাপক রিয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, নেটওয়ার্ক ফ্রেইট সিস্টেম লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেন এবং জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ খান এবং এস এম শোয়েব-উল-কবীর। 

আসামিরা সবাই পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। তাদের গ্রেপ্তারের দিন থেকে সাজার মেয়াদ গণনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আদালত। 

২০১৩ সালের নভেম্বরে মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক ইকবাল হোসেন রাজধনীর নিউ মার্কেট থানায় মামলাটি করেন। পরে ২০১৫ সালে দুদক আটজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়।  

২০১৩ সালে দুদক বিসমিল্লাহ গ্রুপসসহ পাঁচটি ব্যাংকের ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ১২টি মামলা করে। তাদের বিরুদ্ধে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। 

ছয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সে সময় মামলায় বিসমিল্লাহ গ্রুপের ১৩, জনতা ব্যাংকের ১২, প্রাইম ব্যাংকের আট, প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাত, যমুনা ব্যাংকের পাঁচ ও শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের আট কর্মকর্তা।