• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৩ রাত

তিস্তার পানি বৃদ্ধি: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কয়েকশ বাড়ি প্লাবিত

  • প্রকাশিত ০৪:২৫ বিকেল সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮
rangpur flood
তিস্তা ব্যারেজের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গেছে কয়েকশ' বাড়ি । ছবি- এসএম খলিল বাবু

গত ২৪ ঘন্টায় ২০টি বাড়ি ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ায় গৃহহারা পরিবারগুলো অনত্র আশ্রয় নিয়েছে। ভাংগন আতংকে অনেকেই বাড়ি ঘর ভেঙ্গে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন, লক্ষিটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লা আল হাদী।

উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে তিন্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলের গ্রামগুলোর বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করায় কয়েকশ বাড়ি হাটু পানিতে তলিয়ে গেছে। অন্যদিকে নদী ভাঙ্গনও শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২০টি বাড়িঘর ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে । 

পানি উন্নয়ন বোর্ড কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, সোমবার তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় হঠাৎ করে তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। তবে মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত তিস্তার পানি আর বৃদ্ধি পায়নি বরং পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে আজ বুধবার গঙ্গচড়া পয়েন্টে বিপদ সীমার ১২ সেন্টেমিটার নীচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদীতে এখনও প্রবল স্রোত রয়েছে। কিন্তু বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় গঙ্গচড়া উপজেলার নোহালী, লক্ষিটারী, আলমবিদিতর ও কচুয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চলের কয়েকশ পরিবারপানি বন্দি হয়ে পড়েছে। 

এদিকে পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি লক্ষিটারী ইউনিয়নের শংকরদাহ এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙ্গন আরও তীব্র আকার ধারন করেছে। ফলে ওই এলাকার মানুষ চরম আতংকে দিন কাটাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২০টি বাড়ি ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ায় গৃহহারা পরিবারগুলো অনত্র আশ্রয় নিয়েছে। ভাংগন আতংকে অনেকেই বাড়ি ঘর ভেঙ্গে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন, লক্ষিটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লা আল হাদী। 

তিনি বলেন, ভাংগন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। 

এ ব্যাপারে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা এনামুল কবীর জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্গম চরাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়লেও পানি কমতে থাকায় পরিস্থিতি এখন অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে। 

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী সাহেব আলী জানান, তিস্তা নদীর পানি আজ বিপদ সীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শংকরদাহ এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।