• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৩ রাত

৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত ০৫:২৩ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮
পিএসসি
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

‘৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি ছাত্রসমাজ মানে না’, বিক্ষোভ মিছিলে এমন স্লোগানই দিয়েছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা।

কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন ছাড়া ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি ছাত্রসমাজ মানে না বলে স্লোগান দেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি না মানলে আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে।   সংস্কারপন্থী শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা বারোটার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই ঘোষণা দেন তারা । সমাবেশে আন্দোলনকারীরা বলেন, “ছয় মাস আগে প্রধানমন্ত্রী সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ঘোষণার এতদিন পরেও সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। উল্টো ছাত্রদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তারা সরকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। এসময় বলা হয়, তাদের তিন দফা দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।”

মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা তিন দফা দাবি পেশ করেন। এগুলো হলো— ছাত্রদের ওপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, তাদের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা সংস্কার করা।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু বলেন, “কোটা সংস্কার যৌক্তিক দাবি সত্ত্বেও এই আন্দোলনে ছাত্রদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা কোটা বাতিল চাইনি। প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী চাইলে কোটা বাতিল করতে পারেন। তবে কোটা সংস্কার করলে পাঁচ দফার আলোকে করতে হবে।”

পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মহান সংসদে দাঁড়িয়ে আজ থেকে ছয় মাস আগে আমাদের কোটা সংস্কারের যে দাবি, সেটা মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু, দীর্ঘ ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা চাই, অতি দ্রুত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হোক, যাতে ছাত্রসমাজের দাবি মেনে নেওয়া হয়।”

রাশেদ খান আরও বলেন, “মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করা হয়েছে। তারপরও ছাত্রসমাজ কিন্তু তাদের যে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য, সেই লক্ষ্য থেকে বিন্দুমাত্র সরে যায়নি। যতদিন না পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হবে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ছাত্রসমাজ দেখিয়ে দেবে কিভাবে রাজপথে দাবি আদায় করতে হয়।”