• শুক্রবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩২ বিকেল

জেসমিন কোথায়?

  • প্রকাশিত ০৭:৩৮ রাত সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮
নিখোঁজ জেসমিন
নিখোঁজ জেসমিন। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

লতিফ সিকদার বলেন, অভিযুক্ত সোহেল মিয়া প্রতিনিয়তই জেসমিনকে স্কুলে যাওয়ার পথে কুপ্রস্তাব দিত।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় নবম শ্রেণীর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষার্থী জেসমিন আক্তারকে (১৫) ১৬ দিনেও উদ্ধার যায়নি। 

পুলিশ বলছে, জেসমিনকে উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এখনও উদ্ধার না হওয়ায় ছাত্রীটির পরিবারে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। 

গত ২৯ আগস্ট স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় জেসমিন। সে উপজেলার কুরণী গ্রামের আবদুল লতিফ সিকদারের মেয়ে। জেসমিন কুরণী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়র নবম শ্রেণির ছাত্রী। 

জেসমিনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গত ২৯ আগস্ট স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। পথে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে কবিরাজ সোহেল মিয়া (৩৩) এবং অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজন জেসমিনকে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ঘটনার দুই দিন পর মির্জাপুর থানায় অভিযোগ করেন জেসমিনের বাবা লতিফ সিকদার।

লতিফ সিকদার বলেন, অভিযুক্ত সোহেল মিয়া প্রতিনিয়তই জেসমিনকে স্কুলে যাওয়ার পথে কুপ্রস্তাব দিত। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে অপহরণ করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুল হক বলেন, ‘শুনেছি মেয়েটি (জেসমিন) মানসিকভাবে অসুস্থ। তাকে কবিরাজ সোহেল মিয়াই চিকিৎসা করতো। তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেসমিনকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত সোহেল মিয়াসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’