• সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩৮ সকাল

আপনার কি মদ্যপানের লাইসেন্স আছে?

  • প্রকাশিত ০৫:৪১ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮
মদ
ফাইল ছবি।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার ওই ব্যক্তিকে ‘শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ’ এই মর্মে পরিমিত মাত্রায় মদ্যপানের অনুমতি দেওয়ার ছাড়পত্র দিতে পারেন অথবা শারীরিক প্রয়োজনেই মদ্যপানের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে বলে ছাড়পত্র দেন 

বাংলাদেশে কি মদ বেআইনি?

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বাংলাদেশের আইনে মদ নিষিদ্ধ করা হলেও বিদেশি নাগরিক ও অমুসলিমদের জন্য মদ্যপানের অনুমতি আছে। 

কীভাবে মদ্যপানের অনুমতি পাবেন?

প্রথমত, চিকিৎসকের (ন্যূনতম অ্যাসিস্ট্যান্ট  প্রফেসর) কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক ওই ব্যক্তিকে ‘শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ’ এই মর্মে পরিমিত মাত্রায় মদ্যপানের অনুমতি দেওয়ার ছাড়পত্র দিতে পারেন অথবা শারীরিক প্রয়োজনেই মদ্যপানের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে বলে ছাড়পত্র দেন।  

তারপর, ওই ব্যক্তিকে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপআঞ্চলিক বা মেট্রোপলিটন বা বিভাগীয় কার্যালয়ে লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীকে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও মেডিকেল ছাড়পত্র জমা দিতে হবে।

বিদেশিদেরও কি মদ্যপান করতে অনুমতি লাগে? 

না। তবে, তাদেরকে নিজের বাড়ি বা লাইসেন্সকৃত বার বা ক্লাবের মধ্যে মদ্যপান করতে হবে।

অমুসলিমদের কি মদ্যপানের জন্য অনুমতি নিতে হয়?

অমুসলিমদের জন্য মেডিকেল ছাড়পত্র লাগে না। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়।

বাংলাদেশে মদ বিক্রয় করা যায় কীভাবে? 

প্রথমত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে মদ বিক্রয়ের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হয়। যদি মন্ত্রণালয় ছাড়পত্র দেয়, তখন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-আঞ্চলিক বা মেট্রোপলিটন বা বিভাগীয় কার্যালয়ে প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র দিয়ে লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করতে হবে। 

খুঁটিনাটি যাচাই বাছাইয়ের পর আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে করা হবে। এখান থেকে সরাসরি লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে, আবেদনটি বাতিল করা হতে পারে অথবা পুনঃমূল্যায়নের জন্য কমিটি গঠন করা হতে পারে।   

গুলশান ক্লাব বা ঢাকা ক্লাবের মতো বড় ক্লাব ও ‘থ্রি-স্টার’ বা তারচেয়ে উন্নতমানের হোটেলের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে সরাসরি মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাসচিব বরাবর আবেদন করতে হবে।