• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

পারটেক্স ও লা’মেরিডিয়ানের মালিকদের দুদকে তলব

  • প্রকাশিত ০২:০১ দুপুর সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮
দুদক

অভিযুক্ত এম এ হাসেমকে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ও আমিন আহমেদ ভূইঁয়াকে ২৭ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। 

পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাসেম এবং হোটেল লা’মেরিডিয়ানের মালিক আমিন আহম্মেদ ভূঁইয়াকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

প্রনব কুমার ভট্টাচার্য, গত বুধবার উপ-পরিচালক মোশারফ হোসেইন মৃধার সই করা দুটি নোটিস অভিযুক্তদের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ‘নোটিসে এম এ হাসেমকে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ও আমিন আহমেদ ভূইঁয়াকে ২৭ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে’। 

এম এ হাসেম বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি, বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা ও সরকারের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি দখলসহ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, তার বিরুদ্ধে স্বল্প মূল্যে পণ্য আমদানি করে নথিতে বেশি দাম দেখিয়ে পারটেক্স গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা বিদেশ পাচার করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, হোটেল ব্যবসার আড়ালে অন্যান্য অবৈধ ব্যবসা, শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতসহ নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকায় ৭০০ একর খাস জমি জবর দখলের অভিযোগ রয়েছে আমিন আহম্মেদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। 

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করা সাবেক সংসদ সদস্য এম এ হাসেমে এবং তার দুই ছেলেকে এর আগেও ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে চিনি আমদানিতে দুর্নীতির একটি অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দুদক। 

প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত এম এ হাসেম এক সময় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং সিটি ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যও ছিলেন।       

আরেক অভিযুক্ত আমিন আহম্মেদ ভূঁইয়া নোয়াখালী- ২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন ২০০৭ সালের বাতিল হয়ে যাওয়া নির্বাচনে। তিনি বর্তমানে লা’মেরিডিয়ানের স্বত্বাধিকারীসহ বেস্ট হোল্ডিংস গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।   

উল্লেখ্য, আমিন ভূঁইয়ার উদয় টাওয়ারেই ছিল বন্ধ হয়ে যাওয়া চ্যানেল ওয়ানের কার্যালয়, যার মালিক ছিলেন তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন। তবে, জরুরি অবস্থা চলাকালীন সময়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে হওয়া ১ কোটি টাকা চাঁদাবাজি মামলার বাদী হন তিনি।

সূত্রবিডি নিউজ।