• বুধবার, এপ্রিল ০১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ রাত

আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয় : কাদের

  • প্রকাশিত ১০:১৭ সকাল সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮
ফেনীতে ওবায়দুল কাদের
দেশের সব চেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন।

চাঁদেরও কলঙ্ক থাকে, আওয়ামী লীগ একটা সরকার। আমাদেরও ভুলত্রুটি কিছু আছে। তার জন্য জনগনের কাছে আমরা ক্ষমা চাই’।

দেশের সব চেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত বিকালে সড়কপথে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে ফেনীর ট্রাংক রোড়ে অনুষ্ঠিত এক  জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে  এ  কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য হবে কেমন করে? সেটা হতে পারে তাদের নিজেদের তথাকথিত জাতীয়তাবাদী জাতীয় ঐক্য। এই ঐক্য সাম্প্রদায়িক ঐক্য। যুদ্ধাপরাধী রক্ষকদের ঐক্য’। 

এসময় বিএনপিকে নালিশ পার্টি আখ্যা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি ১০ বছরে ১০ মিনিটও রাস্তায় দাঁড়াতে পারেনি। তারা বলে ঈদের পরে আন্দোলন। এভাবে চলে গেল ১০ বছর। আন্দোলন হবে কোন বছর। তারা জনগণের আস্থা হারিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করছে।


বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের ভুলত্রুটি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘চাঁদেরও কলঙ্ক থাকে, আওয়ামী লীগ একটা সরকার। আমাদেরও ভুলত্রুটি কিছু আছে। তার জন্য জনগনের কাছে আমরা ক্ষমা চাই’।


এসময় তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশীদেরও দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘সকলের আমলনামা নেত্রীর কাছে জমা আছে। জরিপ হচ্ছে। জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। এখন আমাদের মার্কা একটাই সেটা হলো নৌকা মার্কা।’


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে আহ্বান জানান।


উল্লেখ্য, জন্সভার দিন দুপুর থেকে জনসভাস্থল সহ শহরের প্রধান চারটি রাস্তা আওয়ামী লীগের সমর্থকদের সমাগমে লোকরণ্য হয়ে পড়ে । এতে শহরে  যান বহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে, প্রায় এক লক্ষ লোক এই জনসভায় সমাবেত হয়েছে বলে দলীয় নেতারা দাবী করে এটিকে ফেনীতে স্মরণ কালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সমাবেশ হিসাবে আখ্যা দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।