• বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪৯ সন্ধ্যা

কর ফাঁকিবাজদের চিঠি পাঠাবে এনবিআর

  • প্রকাশিত ০৭:৪৮ রাত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮
রাজস্ব ভবন
কর ফাঁকিবাজদের কাছে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় কোষাগারে রাজস্ব আদায় দ্রুততর করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা কর সম্পর্কিত মামলাগুলো নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর।

কর ফাঁকিবাজদের কাছে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ওইসব প্রতিষ্ঠানের  অপরিশোধিত প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বিপুল পরিমাণ করের বিষয়টি অবগত করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ইউএনবি-এর বরাতে জানা গেছে, এনবিআর-এর কর শাখার বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) সূত্র জানিয়েছে, এনবিআর শিগগিরই অপরিশোধিত কর প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি পাঠাতে শুরু করবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, “যদি এটিতে ইতিবাচক ফলাফল না নিয়ে আসে তবে আইন অনুসারে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।” তিনি আরও জানান, ‘বিভিন্ন গ্যাস কোম্পানি, বেসরকারি মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক এবং অন্যান্য সংস্থার ১৫ হাজার কোটি টাকা কর অপরিশোধিত রয়েছে।’

এনবিআর সূত্র জানায়, অভিযোগ রয়েছে যে কিছু সংস্থা গ্রাহকদের কাছ থেকে কর আদায় করছে কিন্তু জাতীয় কোষাগারে জমা দিচ্ছে না। জাতীয় কোষাগারে রাজস্ব আদায় দ্রুততর করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা কর সম্পর্কিত মামলাগুলো নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর।

এলটিইউ’র এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “আদালতে মুলতুবি থাকা কর সম্পর্কিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আমরা আমাদের কার্যধারা শক্তিশালী করব।”

‘এনবিআর এই উদ্দেশে তাদের মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে,’ জানান এক এনবিআর কর্মকর্তা। এলটিইউ কর্মকর্তারা পণ্য ও সেবার জন্য বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ঘোষিত মূল্য তদন্ত ও পরীক্ষা করবে। কর কর্মকর্তারা এ পর্যন্ত বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের ঘোষিত পণ্য এবং সেবার মূল্যই গ্রহণ করেছে।

এনবিআর কর্মকর্তা জানান, “এলটিইউ কর্মকর্তারা পণ্য ও সেবা মূল্যের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় তাদের তদন্তের সময় বার্ষিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য নথিও পরীক্ষা করে দেখবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আইন লঙ্ঘন করা হবে না।”

২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য সরকার মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩,৩৯,২৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরকে রাজস্ব আদায় করতে দেওয়া হয়েছে ২,৯৬,২০১ কোটি টাকা।