• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৪ রাত

দশ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৪৯ শতাংশ

  • প্রকাশিত ০৭:৫০ রাত সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
GDP
দশ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৪৯ শতাংশ। ছবি: বাসস

২০০৯ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.০৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে ৭.৮৬ শতাংশ হয়েছে।

২০০৮ সাল থেকে ২০১৭ সাল পযর্ন্ত গত দশ বছরে সব সামাজিক সূচক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় মাথা পিছু আয় বেড়েছে ১৪৯.০৭ শতাংশ। অর্থ মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের মাথাপিছু আয় ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৭০৩ মাকির্ন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। 

মন্ত্রনালয়ের অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, “কার্যকর পদক্ষেপ এবং দীর্ঘ মেয়াদী নীতি প্রণয়নের ফলে গত দশ বছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, খাদ্য উৎপাদন, রেমিটেন্স, মূদ্রাস্ফীতি, আমদানি ও রফতানি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে। ২০০৯ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.০৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে ৭.৮৬ শতাংশ হয়েছে। এ সময় রেমিটেন্স প্রবাহ ৯,৬৮৯.২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪,৯৮১.৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। বৈদেশিক র্মদ্রার রিজার্ভ ৭,৪৭০.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৩২,৯৪৩.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে।”

আবদুর রউফ তালুকদার আরও বলেন, “সামাজিক গতিশীলতা এবং নারীর ক্ষমতায়নে ও মানব উন্নয়ন সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০০৮ সালে দেশে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৬.৮ বছর। ২০১৭ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ৭২ বছর। দারিদ্র্যতার হার ২০০৯ সালের ৩১.৫ শতাংশ থেকে কমে ২০১৮ সালে হয়েছে ২৪.৩ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার ১৭.৬ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে হয়েছে ১২.৯ শতাংশ।”

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর গবেষণা পরিচালক খন্দোকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি গত দশ বছরে ইতিবাচক অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশ সাফল্যজনকভাবে এমডিজি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ বিগত দশ বছরে ৬ শতাংশ জিডিপি অর্জনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং সারাদেশে অবকাঠামো উন্নয়ন হয়। এ সময়ের মধ্যে সরকার উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ, গ্যাস ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশে একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি ৮ শতাংশ প্রবৃব্ধি অর্জনের জন্য অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচী বাড়াতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।”

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা অর্থ মন্ত্রনালেয়র সূত্রে জানিয়েছে, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জন্য সরকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছে। যেখানে আগের অর্থ বছরে বাজেট ছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা এবং ২০০৯ সালে বাজেট ছিল ৯৯,৯৬২ কোটি টাকা।