• শুক্রবার, আগস্ট ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৩ বিকেল

প্রধানমন্ত্রী: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই

  • প্রকাশিত ০৭:১৫ রাত অক্টোবর ৩, ২০১৮
pm press
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি- ফোকাস বাংলা

‘আমরা এখানে স্পষ্ট বলবো- যে সাংবাদিকরা মনে করে তারা কোনও অন্যায় কাজ করে না, কারও বিরুদ্ধে অপবাদ বা মিথ্যা তথ্য দেবে না বা বিভ্রান্ত করবে না; তাদের উদ্বেগ হওয়ার কিছু নাই।'

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বেগের বিষয়ে সাংবাদিক জ ই মামুন জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এটা করার আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনগুলো দেখেছি। আইনগুলো দেখা হয়নি, তা নয়। তারপর এটা অনলাইনে ছিল। এটা সকলের সঙ্গে আলোচনাও হয়ে গেছে। এরপর এসে হঠাৎ এত উদ্বেগ হয়ে গেলেন কিসের জন্য। আমার কাছে সেটা প্রশ্ন। কারও যদি অপরাধী মন না থাকে, বা ভবিষ্যতে কিছু অপরাধ করবে এরকম পরিকল্পনা না থাকে; তার উদ্বেগ হওয়ার কোনও কারণ নেই। আগে তো সমন জারি করা হতো, সরাসরি গ্রেফতার করা হতো। আমি সেটা পরিবর্তন করে দিয়েছি। আগে তো ছট করে ধরে নিতো। আপনারা সাংবাদিকরা যাদের কাছে নির্যাতিত হয়েছেন। তাদের জন্য কি করতে পেরেছেন। আর আপনারা এখন উদ্বিগ্ন। আমার যেটা মনে হয়েছে। বৈঠকের পর বৈঠক। বৈঠকে আমি এমন এমন মানুষ দেখেছি। মানে লেখা তৈরি করে বসে আছে। একটার পর একটা লেখা আমার বিরুদ্ধে চালাবে। উদ্বিগ্ন হবে তারা। আপনাদের তো উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। অন্তত আমি যত দিন আছি, আপনাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এখানে স্পষ্ট বলবো- যে সাংবাদিকরা মনে করে তারা কোনও অন্যায় কাজ করে না, কারও বিরুদ্ধে অপবাদ বা মিথ্যা তথ্য দেবে না বা বিভ্রান্ত করবে না; তাদের উদ্বেগ হওয়ার কিছু নাই। সেখানে আইনের যেটা দেওয়া আছে, সিআরপিসিতে যা আছে-তাই দেওয়া আছে। সেখানে ডিজিটাল ডিভাইসগুলো ব্যবহার সম্পর্কে উল্লেখ করা আছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের শিডিউল এলে যারা আমাদেরকে ভালো করে গায়েল করার জন্য ডকুমেন্ট তৈরি করে বসে আছে। তারা উদ্বিগ্ন হতে পারে। তারা ভাবছে যে এরকম একটা মিথ্যা নিউজ করবো। এখন তো মাঠে মারা যাবে। ওখানে (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) একটা জিনিসের ল্যাকস আছে। একটা জিনিস ওখানে ঢোকানো উচিত আমি মনে করি। সেটা হলো- যদি কেউ কারও বিরুদ্ধে কোনও মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেই মিথ্যা তথ্যটা তাকে প্রমাণ করতে হবে— যে এটা সত্য। যদি সে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়; সে সাংবাদিক যে লেখবে, যে পত্রিকা বা মিডিয়া, ইলেট্রনিক বা ডিজিটাল ডিভাইস হোক, যে ব্যবহার করবে বা যে এটা প্রকাশ করবে- তাদের সবাইকে শাস্তি পেতে হবে। এবং যার বিরুদ্ধে লেখবে, তার যে ক্ষতি হবে সেটার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’