• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ রাত

ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় গ্রামীণফোনের ৬০০ কর্মী

  • প্রকাশিত ০৮:৩১ রাত অক্টোবর ৫, ২০১৮
সমাবেশে গ্রামীণফোনের পাঁচ শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় প্রযুক্তি শাখার কর্মীরা প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। ছবি: সৌজন্যে

কমন ডেলিভারি সেন্টার (সিডিসি) প্রকল্প চালু হলে চাকরি হারাতে পারেন গ্রামীণফোনের টেকনোলজি টিমের (প্রযুক্তি শাখা) ছয় শতাধিক কর্মী।

চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটর প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের প্রযুক্তি শাখার ছয় শতাধিক কর্মী। প্রতিষ্ঠানটির নতুন ঘোষিত ‘কমন ডেলিভারি সেন্টার’ প্রকল্পের কারণে এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

আর ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় শুক্রবার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে প্রযুক্তি শাখার কর্মীরা প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। সমাবেশে গ্রামীণফোনের পাঁচ শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, কমন ডেলিভারি সেন্টার (সিডিসি) প্রকল্প চালু হলে চাকরি হারাতে পারেন গ্রামীণফোনের টেকনোলজি টিমের (প্রযুক্তি শাখা) ছয় শতাধিক কর্মী। বর্তমানে এই শাখায় ৬৫৪ জন কর্মী রয়েছেন।

এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও জেনারেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন নামে দু’টি ইউনিয়ন রয়েছে গ্রামীণফোনের। সমাবেশে দুই ইউনিয়নের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে গ্রামীণফোনের নতুন এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেন। সমাবেশে বক্তারা চাকরির নিশ্চয়তা এবং সিডিসি প্রকল্প বন্ধের ঘোষণা দাবি করেন।

জানা গেছে, গ্রামীণফোন নিজস্ব প্রযুক্তি সেকশন বন্ধ করে সেই দায়িত্ব এরিকসন, হুয়াওয়ের মতো কোনও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দিতে আগ্রহী। ওইসব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনকে প্রযুক্তিগত সেবা দেবে। আর এই সেবা নিলে প্রযুক্তি শাখায় গ্রামীণফোনের আর কোনও কর্মী রাখার প্রয়োজন পড়বে না। ফলে কর্মীদের চাকরি হারাতেই হবে।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘গ্রামীণফোনের অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা এবং এ সম্পর্কিত প্রক্রিয়া উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পন্থা বিবেচনা করা হচ্ছে। আমাদের সর্বোন্নত নেটওয়ার্ক এবং সর্বোন্নত গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কৌশলগত উদ্যোগটি সব সময় পরিবর্তনশীল, বৈশ্বিক ব্যবসায় ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব পড়তে পারে এমন কোনও সিদ্ধান্তই গৃহীত হয়নি। গ্রামীণফোন সবসময়ই তার কর্মীদের প্রতি দায়িত্বশীল।’