• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৪ সকাল

জবির নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনে একনেকে প্রকল্প অনুমোদন

  • প্রকাশিত ১০:৫৪ সকাল অক্টোবর ১০, ২০১৮
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা ট্রিবিউন

গত ৩ অক্টোবর ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাছে এ জায়গার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে।

কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নের জন্য  এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার  প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ইউনবি অনুসারে, এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন  প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক-এর ১৪৬তম সভা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন : ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নে এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন করেন।

সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে বর্তমান সরকার ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার তেঘরিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমদি মৌজায় প্রায় ২০০ একর ভূমির ওপর নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

মাস্টারপ্লান অনুযায়ী নতুন ক্যাম্পাসে একাধিক একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য হল, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা কেন্দ্র, ক্যাফেটেরিয়া, খেলার মাঠ, সুইমিং পুল, মসজিদ এবং পরিবহন ও আধুনিক বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন হওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান সংকুলান দূর হবে।

গত ৩ অক্টোবর ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাছে এ জায়গার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে। গতকাল এ প্রকল্পটি শুরু করার জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেল। এ প্রকল্পের মাধ্যমে চলতি অক্টোবর থেকে আগামী দুই বছরের মধ্যে কেরানীগঞ্জের এ জায়গার জমি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, রাস্তা, সেতু, ড্রেনেজ, লেক নির্মাণ, বিদ্যুৎ, গ্যাস সংযোগের কাজ করা হবে।

সাথে সাথে আরেকটি প্রকল্পের মাধ্যমে এ জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো একাডেমিক ভবন, হল, টিচার্স বিল্ডিং, টিএসসি নির্মাণের কাজ শুরু হবে।