• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৭ রাত

নাম্বার ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন: গ্রামীণফোন ছেড়ে রবি’তে ঝুঁকছেন গ্রাহক

  • প্রকাশিত ০১:৫১ দুপুর অক্টোবর ১০, ২০১৮
মোবাইল অপারেটর
মোবাইল অপারেটর। ছবি: সৌজন্য

বিটিআরসি’র হিসেবে গ্রামীণফোনের ৪,৬১৬ জন গ্রাহক অপারেটর বদলের আবেদন করেন যা মোট আবেদনকারীর ৪৫.৬%। মুদ্রার অন্য পিঠে, আবেদনকারীদের ৫৮.২% গ্রাহক রবিতে আসতে চাইছেন

অক্টোবর ১ তারিখ থেকে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে চালু হয় মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা। নির্ধারিত ফোন নম্বর অপরিবর্তীত রেখে অপারেটর পরিবর্তনের এই সুবিধা চালু হওয়ার ব্যাপারে কিছুটা আক্ষেপ থাকতে পারে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের। কেননা আবেদনকারী গ্রাহকদের মধ্যে বেশিরভাগই গ্রামীণফোন ত্যাগ করছেন। অন্যদিকে, বাকি অপারেটর থেকে রবিতেই আস্থা রাখছেন গ্রাহকদের বড় একটি অংশ।  

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। এমএনপি সেবা চালুর পর প্রথম পাঁচ দিনের হিসেবে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা বেশি অপারেটর বদল করেছেন। আর  অন্য অপারেটর ছেড়ে বেশি গ্রাহক এসেছে রবিতে। 

প্রতিবেদন বলছে, ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন জমা পড়েছে ১০,১২২টি যার মধ্যে  ৪,১৮১ জন গ্রাহকের আবেদন কার্যকর হয়েছে। আর ৫,৮৬২টি আবেদন বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটির কারণে বাতিল করা হয়েছে। 

বিটিআরসি’র হিসেবে গ্রামীণফোনের ৪,৬১৬ জন গ্রাহক অপারেটর বদলের আবেদন করেন যা মোট আবেদনকারীর ৪৫.৬%। 

মুদ্রার অন্য পিঠে, আবেদনকারীদের ৫৮.২% গ্রাহক রবিতে আসতে চাইছেন। পাঁচ দিনে তাদের কাছে আবেদন এসেছে ৫,৮৯১ জনের। তবে রবিতে সফলভাবে পরিবর্তীত হতে পেরেছেন ২,৩৪১ জন। আর ৩,৫৫০ জনের আবেদন বাতিল হয়েছে। 

আগ্রহী আবেদনকারীদের প্রায় অর্ধেক বাতিল হওয়ার বিষয় নিয়ে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম বলেন, “দেশের ১ নম্বর শক্তিশালী ৪.৫জি নেটওয়ার্কে সম্মানিত গ্রাহকদের আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। এখন পর্যন্ত পাওয়া হিসেবে ৫০ শতাংশ আগ্রহী গ্রাহক নানা কারণে এমএনপি সেবার মাধ্যমে অপারেটর পরিবর্তন করতে পারছেন না। যে সব কারণে গ্রাহকেরা অপারেটররা এমএনপি সেবা নিতে পারছেন না সেগুলো দূর করতে আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অন্যান্য অপারেটরদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।”