• শুক্রবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৩ রাত

উন্নয়নের এসএমএস প্রচার করেনি জিপি-বাংলালিংক-রবি, ক্ষুব্ধ সরকার

  • প্রকাশিত ০৪:৫২ বিকেল অক্টোবর ১০, ২০১৮
স্মার্টফোন
উন্নয়নের এসএমএস প্রচার করেনি জিপি-বাংলালিংক-রবি। ছবি: সৌজন্যে

শিগগিরই এই তিন অপারেটরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবে বিটিআরসি

এসএমএসের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা গ্রাহকদের কাছে প্রচার করতে না চাওয়ায় দেশের তিনটি বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবছে সরকার।

বাংলাদেশ টেলিযোগযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-এর (বিটিআরসি) তরফ থেকে, সরকারের উন্নয়নমূলক ১০টি কাজের বিষয়ে গ্রাহকদের এসএমএস পাঠানোর জন্য চারটি মোবাইল অপারেটরকে বলা হয়েছিল চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক ব্যতিত অন্য কোনো অপারেটর ওই এসএমএস পাঠায়নি।

বিটিআরসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, এই চারটি অপারেটরকে তাদের সকল গ্রাহকের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন ১০টি করে এসএমএস পাঠাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিন বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক বিষয়টিকে ‘রাজনৈতিক’ উল্লেখ করে গ্রাহকদের বিনামূল্যে এসএমএস পাঠাতে অপারগতা প্রকাশ করে।

এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটররা যুক্তি দিয়েছিল, সরকারের ‘জাতীয় জরুরি বা নিরাপত্তা বিষয়ক’ এসএমএস ছাড়া অন্য কোনো বিষয় বিনামূল্যে প্রচার করতে বাধ্য নন তারা।

তবে বেসরকারি মোবাইল অপারেটর কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বিটিআরসির পক্ষ থেকে দেওয়া সরকারের প্রচারমূলক ওই ১০টি এসএমএসের একটির বিস্তারিত বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে অংশ বিশেষ বেশ কিছু সংখ্যক গ্রাহককে পাঠানো হয়েছে।

পরবর্তীতে ১ অক্টোবর বিটিআরসিকে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে তিন অপারেটর জানিয়েছে, তারা কেবল বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় এ ধরনের এসএমএস প্রচার করতে পারে। ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলি, রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক আস।

জানা গেছে, গ্রাহকদের কাছে বিপুল পরিমাণে এসএমএস পাঠাতে প্রতিটির জন্য ০.১৭ টাকা থেকে ০.২০ টাকা করে চার্জ ধরা হয়। ফলে প্রত্যেক গ্রাহককে এসএমএস পাঠাতে হলে খরচ দাঁড়াবে প্রায় ২৫ কোটি টাকায়।