• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ রাত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবীতে সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন

  • প্রকাশিত ০১:০৯ দুপুর অক্টোবর ১৫, ২০১৮
digital security act
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংশোধনের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন। ছবি: রাজিব ধর/ঢাকা ট্রিবিউন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় সংশোধনের দাবীতে মানববন্ধন করছে সম্পাদক পরিষদ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকগণ। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় সংশোধনের দাবীতে মানববন্ধন করছে সম্পাদক পরিষদ।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করেছেন তারা।

পরিষদটির সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম তাদের ৭টি দাবী উল্লেখ করে একটি বিবৃতি পাঠ করেছেন।

সম্পাদক পরিষদের সাত দফা দাবি হচ্ছে:

১. সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা সুরক্ষার লক্ষ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩ ধারা অবশ্যই যথাযথভাবে সংশোধন করতে হবে।

২. এসব সংশোধনী বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশনে আনতে হবে।

৩. পুলিশ বা অন্য কোনও সংস্থার মাধ্যমে কোনও সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানোর ক্ষেত্রে তাদেরকে শুধু নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু আটকে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে, কিন্তু কোনও কম্পিউটার ব্যবস্থা বন্ধ করার অনুমতি দেওয়া যাবে না। তারা শুধু তখনই প্রকাশের বিষয়বস্তু আটকাতে পারবে, যখন সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন ওই বিষয়বস্তু আটকে দেওয়া উচিত, সে বিষয়ে যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারবে।

৪. কোনও সংবদামাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কোনও কম্পিউটার ব্যবস্থা আটকে দেওয়া বা জব্দ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালতের আগাম নির্দেশ নিতে হবে।

৫. সংবাদমাধ্যমের পেশাজীবীদের সাংবাদিকতার দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথমেই আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করতে হবে (যেমনটা বর্তমান আইনে আছে) এবং সংবাদমাধ্যমের পেশাজীবীদের কোনও অবস্থাতেই পরোয়ানা ছাড়া ও যথাযথ আইন প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া আটক বা গ্রেফতার করা যাবে না।

৬. সংবাদমাধ্যমের পেশাজীবীর দ্বারা সংঘটিত অপরধের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের গ্রহণযোগ্যতা আছে কিনা, তার প্রাথমিক তদন্ত প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে করা উচিত। এই লক্ষ্যে প্রেস কাউন্সিলকে যথাযথভাবে শক্তিশালী করা যেতে পারে।

৭. এই সরকারের পাস করা তথ্য অধিকার আইনকে দ্ব্যর্থহীনতভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ওপর প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এই আইনে নাগরিক ও সংবাদমাধ্যমের জন্য যেসব স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, সেগুলোর সুরক্ষা অত্যাবশ্যক।