• রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা গিয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চু

  • প্রকাশিত ০১:০২ দুপুর অক্টোবর ১৮, ২০১৮
আইয়ুব বাচ্চু
শহীদ মিনারে নেওয়া হবে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ। ছবি: সৌজন্য

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর

বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের কাণ্ডারি আইয়ুব বাচ্চু ফেলে গেলেন তার রুপালী গিটার। অসংখ্য ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে না ফেরার পথে পাড়ি জমালেন নব্বইয়ের দশকের লক্ষ তরুণের সংগীতের আদর্শ ব্যক্তি।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেনমৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।

স্কয়ার হাসপাতালের ডিরেক্টর অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ডাঃ মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘অসুস্থ অবস্থায় আইয়ুব বাচ্চুকে তার ড্রাইভার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখনই আমরা ধারণা করেছিলাম যে তিনি হয়তো মারা গেছেন। তবুও আমাদের ডাক্তারদের একটি বিশেষজ্ঞ দল তার দেখাশোনা করে এবং সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।’


আরও পড়ুন: 'এই রুপালি গিটার ফেলে…’


‘সর্বশেষ গত সপ্তাহে স্কয়ার হাসপাতালে আইয়ুব বাচ্চু চিকিৎসা নিয়েছিলেন’ উল্লেখ করে স্কয়ার হাসপাতালের মুখপাত্র জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে আইয়ুব বাচ্চু হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। তার হার্টের টিস্যুগুলোর কার্যক্ষমতা ছিলো ৩০% (স্বাভাবিকভাবে যা ৭০% থাকে)। বর্তমানে তার মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।’

এর আগে ২০০৯ সালে তিনি হার্টে রিং পরিয়েছিলেন বলেও জানান ডাঃ মো. নাজিম উদ্দিন।

দেশের পপ সংগীতকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে অন্যতম পথপ্রদর্শক ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু।

তিনি একাধারে গায়ক, লিডগিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার ও প্লেব্যাক শিল্পী ছিলেন।

চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া বাচ্চু জনপ্রিয় সংগীত ব্যান্ড ‘এলআরবি’র কর্ণধার ছিলেন।

‘হারানো বিকেলের গল্প’ গানের মধ্য দিয়ে সংগীতজগতে আইয়ুব বাচ্চুর ব্যতিক্রমী দরাজ কণ্ঠের যাত্রা শুরু হয়।


আরও পড়ুন: আইয়ুব বাচ্চুর শেষ সাক্ষাৎকার


১৯৮৬ সালে তার প্রথম মিউজিক অ্যালবাম ‘রক্ত গোলাপ’ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’ বিপুল জনপ্রিয়তা পায়।

১৯৯৫ সালে তৃতীয় অ্যালবাম ‘কষ্ট’ প্রকাশের পর শ্রোতাদের হৃদয় জয় করে নেন আইয়ুব বাচ্চু। সুপারহিট হয় অ্যালবামটির ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’ গানটি।

হৃদয়স্পর্শী গানের মাধ্যমে দেশের হার্টথ্রব সংগীত তারকায় পরিণত হন তিনি।

১৯৯১ সালে আত্মপ্রকাশ ঘটে আইয়ুবের নিজের ব্যান্ড ‘এলআরবি’র। সেখানে তিনি লিড গিটারিস্ট ও ভোকাল ছিলেন।