• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩০ দুপুর

অনশন ভেঙেছেন আখতার

  • প্রকাশিত ০৯:৫৫ রাত অক্টোবর ১৯, ২০১৮
আখতার হোসেন
অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন আখতার হোসেন। ছবি: সৌজন্যে

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) অনশনে বসেন আখতার হোসেন।

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়া হবে বলে আশাবাদী টানা তিনদিন অনশনকারী আখতার হোসেন। চিকিৎসকের পরামর্শে অনশন ভাঙার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের কাছে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ বিষয়ে আখতার হোসেন জানান, ‘তিনি যতক্ষণ অনশনে ছিলেন তার মা-ও ততক্ষণ না খেয়ে ছিলেন। চিকিৎসক ও প্রভোস্ট স্যারের (মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান) পরামর্শে অনশন ভাঙেন তিনি।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেবে বলেও এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সুস্থ্য হয়ে পুনরায় অনশনে বসবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এখনও সেরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।”

আখতারের বন্ধুরা জানান, ‘আখতার চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে আছেন। তার চারটা টেস্ট দেওয়া হয়েছে। এখনও রিপোর্ট দেয়া হয়নি। এছাড়া দুপুরে খাবার গ্রহণ করেছেন আখতার। তিনি এখন মোটামুটি সুস্থ্য।’

আখতারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, ‘আখতার এখন তাদের পর্যবেক্ষণে আছেন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও নিয়মমাফিক খাবার গ্রহণ করলে সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি।’

উল্লেখ্য, ফাঁস হওয়া প্রশ্নের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে গত মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় অনশনে বসেন আখতার হোসেন। টানা তিনদিনের অনশনের পর অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে আখতার হোসেনের অনশনস্থল রাজু ভাস্কর্যে এসে অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী। এ সময় প্রক্টর আখতারকে তার দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। কিন্তু আখতার এ আশ্বাস না মেনে প্রক্টরকে ‘প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে’, এটা স্বীকার করে নিতে বলেন। কিন্তু প্রক্টর তা স্বীকার করেননি। 

এ সময় আখতার অজ্ঞান হয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে শুক্রবার কর্তব্যরত ডাক্তার ফল খাইয়ে তার অনশন ভাঙান।